Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

সুপ্রিম কোর্টে ঝুলেই রইল আইপ্যাক শুনানি ইডিকে হাতিয়ার করছে কেন্দ্র, তোপ রাজ্যের

সুপ্রিম কোর্টে ঝুলেই রইল আইপ্যাক শুনানি ইডিকে হাতিয়ার করছে কেন্দ্র, তোপ রাজ্যের

আইপ্যাক কাণ্ডে ফের স্বস্তি পেল না রাজ্য। সুপ্রিম কোর্টে আরও একবার পিছিয়ে গেল এই হাই-প্রোফাইল মামলার শুনানি। ইডির আর্জি মেনে আগামী ১৮ মার্চ পরবর্তী দিন ধার্য করেছে শীর্ষ আদালত। বুধবার বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। শুনানির শুরুতেই সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা একটি রিজয়েন্ডার দাখিলের জন্য সময় চেয়ে নেন। সেই আবেদন মঞ্জুর করে আদালত জানিয়েছে, দোলের পর অর্থাৎ ১৮ মার্চ মামলার সারবত্তা খতিয়ে দেখা হবে। এ নিয়ে পরপর তিনবার পিছিয়ে গেল এই মামলার শুনানি।

 

ঘটনার সূত্রপাত গত ৮ জানুয়ারি। কয়লা পাচার মামলার তদন্তে নেমে তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক-এর দপ্তর এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সেই সময় সেখানে সশরীরে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডির অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী তদন্তে বাধা দিয়েছেন এবং জোর করে বেশ কিছু নথি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস ছিনিয়ে নিয়ে গেছেন। অন্যদিকে, রাজ্যের অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ‘হাতিয়ার’ করছে কেন্দ্র।

 

 

আদালতে পেশ করা হলফনামায় ইডি দাবি করেছে, তল্লাশির দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নথিপত্র ছিনিয়ে নিয়ে গিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মৌলিক অধিকার খর্ব করেছেন। ইডির কথায়, মুখ্যমন্ত্রী নিজে তল্লাশির জায়গায় উপস্থিত হয়ে মূল তথ্যপ্রমাণ এবং নথি কেড়ে নিয়ে গিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, এর ফলে তদন্তের গোপনীয়তা ও স্বাধীনতা দুই-ই বিঘ্নিত হয়েছে। এমনকি আধিকারিকদের ভয় দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসজি রাজু। পাল্টা যুক্তিতে রাজ্য জানিয়েছে, ইডির দায়ের করা এই মামলার কোনো আইনি ভিত্তি নেই। মুখ্যমন্ত্রী আগেই হলফনামায় জানিয়েছেন যে, তিনি কোনো তদন্তে বাধা দেননি। সেদিন সংবাদমাধ্যমের সামনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ওইসব আমার দলের নথিপত্র।

 

 

তাতে নির্বাচনী রণকৌশলের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র রয়েছে। সেসব ছিনতাইয়ের ষড়যন্ত্র করেছে ইডি। দলের স্বার্থেই তিনি সেই ফাইলগুলো সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, ইডির তল্লাশি পদ্ধতিই ছিল ত্রুটিপূর্ণ। এর আগে শীর্ষ আদালত পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল, কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে কোনো রাজ্যের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা শীর্ষ পদাধিকারী হস্তক্ষেপ করতে পারেন কি না, তা অত্যন্ত গুরুতর একটি বিষয়। এই ঘটনায় রাজ্য পুলিশের তৎকালীন ডিজি রাজীব কুমার-সহ শীর্ষ আধিকারিকদের নোটিশও পাঠিয়েছিল আদালত। রাজ্য পুলিশের দায়ের করা এফআইআরের ওপর স্থগিতাদেশ বহাল রেখে সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন ১৮ মার্চ আদালত এই মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে নিয়ে যায়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

READ MORE.....