শুক্রবার সকালে ফের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কলকাতার অন্তত ১০টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি শুরু করেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা। ইডি সূত্রে খবর, তল্লাশি চলছে সল্টলেক সেক্টর ওয়ানে অবস্থিত রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসুর অফিস-সহ নাগেরবাজার এলাকায় এক কাউন্সিলরের বাড়ি, ঠনঠনিয়া, শরৎ বোস রোড এবং নিউ আলিপুরের একাধিক ঠিকানাতেও।
ইডি আধিকারিকেরা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে এই অভিযান চালাচ্ছেন। পুরসভা সংক্রান্ত দুর্নীতি ছাড়াও ব্যাঙ্ক প্রতারণার একটি মামলাতেও এই তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তেই লেকটাউনে সুজিত বসুর দু’টি বাড়ি এবং দফতরে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সে সময় প্রায় ১৪ ঘণ্টা তল্লাশির পর কিছু নথি এবং মন্ত্রীর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।
এই দুর্নীতির সূত্রপাত হয়েছিল স্কুল নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত চলাকালীন। ব্যবসায়ী অয়ন শীলকে সিবিআই গ্রেফতার করার পর তাঁর সল্টলেকের অফিসে তল্লাশি চালিয়ে পুরসভার নিয়োগ সংক্রান্ত বেশ কিছু ওএমআর শিট উদ্ধার হয়। জানা যায়, অয়নের সংস্থাই পুর নিয়োগের ক্ষেত্রে ওএমআরের দায়িত্বে ছিল। এই সূত্র ধরেই তদন্তকারীরা একে একে আরও অনেককে গ্রেফতার করেন এবং পরবর্তীকালে আর্থিক লেনদেনের দিকটি খতিয়ে দেখতে ইডিও তদন্তে নামে।
গত বছর সিবিআই এই মামলায় প্রথম চার্জশিট জমা দেয়, যেখানে কলকাতা-সহ ১৬টি পুরসভায় নিয়ম-বহির্ভূত ভাবে নিয়োগ এবং টাকা লেনদেনের বিষয়টি উঠে আসে। চার্জশিটে দাবি করা হয়, অয়নের দুই এজেন্টের মাধ্যমে অনেক প্রার্থী গড়ে ৫০ হাজার টাকা কমিশনের বিনিময়ে চাকরি পেয়েছিলেন।















