প্রায় ৩০ বছর আগে বাংলাদেশ থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন ক্ষিতীশ মজুমদার ।তিনি মেদিনীপুর পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের জোড়াপাড়ায় থাকতেন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তার নাম ছিল না। পরে তিনি ভোটার তালিকায় নাম তোলেন এবং মেদিনীপুর বিধানসভার অন্তর্গত ১৫৩ নম্বর বুথে তার ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। তিনি প্রায় ছয় মাস বীরভূম জেলার ইলাম বাজার এর স্কুল বাজার সুভাষপল্লী এলাকায় মেয়ের বাড়িতে ছিলেন। এসআইআর আতঙ্কে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ।
তিনি আত্মহত্যা করার আগে তার মেয়ে ও নাতনিকে বলেছিলেন এই বয়সে ফের বাংলাদেশ ফিরে যেতে হবে, তা নিয়ে তিনি যথেষ্ট চিন্তায় ছিলেন বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।তাই এস আই আর আতঙ্কে তিনি বুধবার রাতে মেয়ের বাড়িতে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে তার পরিবারের অভিযোগ। তার নাতনি হিরুবালা মজুমদার জানান আমার দাদু এস আই আর আতঙ্কে আত্মহত্যা করেছে, কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের এই খেলা বন্ধ করা উচিত, জানিনা আর কত মানুষের প্রাণ যাবে?
বলে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। ওই ঘটনার খবর মেদিনীপুর শহরে এসে পৌঁছলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। ওই ঘটনার খবর পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা মেদিনীপুরের বিধায়ক সুজয় হাজরা দলের স্থানীয় নেতৃত্বদের সঙ্গে নিয়ে মৃত ব্যক্তির বাড়িতে যান। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেন। তিনি বলেন ঘটনাটি দুঃখজনক এবং বেদনা দায়ক। এসআইআর নিয়ে সবাইকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য তিনি আবেদন জানিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন যে একটা সঠিক ভোটারের নাম যদি ভোটার তালিকা থেকে বাদ যায় তাহলে রাস্তায় নেমে তৃণমূল কংগ্রেস আন্দোলন শুরু করবে। আসলে এস আই আর এর নামে বিজেপি এনআরসি করতে চাইছে। তাই মানুষজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তিনি মৃত ব্যক্তির পরিবারবর্গকে সমবেদনা জানান এবং তাদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।















