Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

যাদবপুরে হিজাব বিতর্ক

যাদবপুরে হিজাব বিতর্ক

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হিজাব বিতর্কের জল গড়াল অনেক দূর। তদন্ত চলাকালীন নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ইংরেজির বিভাগীয় প্রধান শাশ্বতী হালদারকে ক্যাম্পাসে না আসার প্রস্তাব দিল রাজ্যের সংখ্যালঘু কমিশন। সোমবার কমিশনের ফুল বেঞ্চ বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন। কমিশনের চেয়ারম্যান আহমদ হাসান ইমরান স্পষ্ট জানান, ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের মনে হয়েছে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে। তাই তদন্ত চলাকালীন অভিযুক্ত শিক্ষিকার ক্যাম্পাসে প্রবেশাধিকার বন্ধ রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে তিন সদস্যের একটি ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং’ কমিটি গড়েছে।

 

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সেলিম বক্স মণ্ডল জানিয়েছেন, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। তবে অভিযুক্ত বিভাগীয় প্রধান ইতিমধ্যেই লিখিতভাবে নিজের সপক্ষে যুক্তি সাজিয়েছেন কর্তৃপক্ষের কাছে। তাঁর দাবি, তিনি কেবল নিয়ম মেনেই তল্লাশি চালিয়েছিলেন। অন্যদিকে, ছাত্র সংগঠনগুলি সরব হয়েছে অভিযুক্তকে ইনভিজিলেশন ও খাতা দেখার প্রক্রিয়া থেকে অবিলম্বে সরানোর দাবিতে। এই স্পর্শকাতর বিষয়ে মুখ খুলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও।

 

তিনি স্পষ্ট জানান, বাংলার মাটিতে কারও মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না। যদিও বিভাগীয় প্রধানের সাফাই প্রসঙ্গে তিনি এখনই কোনো মন্তব্য করতে চাননি। আপাতত সংখ্যালঘু কমিশনের পদক্ষেপ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কমিটির রিপোর্টের দিকেই তাকিয়ে শিক্ষা মহল। সংখ্যালঘু কমিশন এদিন অভিযুক্ত শিক্ষিকার সঙ্গে কোনো কথা না বলায় তাঁদের প্রস্তাবটি এখনও কার্যকর হয়নি। তবে ক্যাম্পাসে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। ফাইল ফটো।

READ MORE.....