বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতার আইপ্যাক অফিস এবং সংস্থার প্রধান প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদে ফেটে পড়ে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভার বিধায়ক পরেশরাম দাসের নেতৃত্বে ক্যানিংয়ে এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে কয়েক হাজার তৃণমূল কর্মী-সমর্থক অংশ নেন। মিছিল শেষে ক্যানিং বাসস্ট্যান্ডে এক পথসভা হয়।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক পরেশরাম দাস বলেন, নির্বাচন এলেই বিজেপি ইডি ও সিবিআইকে হাতিয়ার করে বাংলায় অশান্তি ছড়াতে চায়। হিন্দু-মুসলিম, জাতপাতের বিভাজনের রাজনীতি করে মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরি করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি বাংলা ও বাঙালিকে ভালোবাসার ভান করলেও আসলে বাংলাকে দুর্বল করার চক্রান্ত করছে।
তিনি আরও বলেন, ভিনরাজ্যে বাঙালিদের তাড়ানো হয়, অথচ নির্বাচনের আগে বিজেপির পরিযায়ী নেতারা বাংলায় এসে দরদ দেখান। বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও মনীষীদের যাঁরা অপমান করেন, তারা কখনোই বাংলার ভালো চাইতে পারেন না—এ কথা রাজ্যের মানুষ বুঝে গিয়েছেন।
বিধায়ক বলেন, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির পরাজয় নিশ্চিত জেনেই তারা ভয় পেয়ে ইডি-সিবিআই ব্যবহার করছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তৃণমূল হিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না, কিন্তু বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে বিজেপিকে সমুদ্রের অতল গহ্বরে পাঠিয়ে দেবেন।












