মঙ্গলবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর সদর মহকুমা শাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গনে বহু মানুষকে এসআইআর সংক্রান্ত বিষয়ে নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য হেয়ারিং-এ ডাকা হয়েছিল। মেদিনীপুর পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের ভোটাররা সঠিক সময়ে মেদিনীপুর সদর মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে এসে হিয়ারিং-এর জন্য হাজির হন। কিন্তু বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত বহু মানুষ দাঁড়িয়ে ছিলেন, ফলে তারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন বলে জানান।
ক্ষুব্ধ মানুষেরা হেয়ারিং এর নামে হয়রানি করার জন্য মহকুমা শাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ দেখায়। মঙ্গলবার হিয়ারিং এর জন্য ডাকা হয়েছিল মেদিনীপুর পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর রাহুল বিশুই কে। মেদিনীপুর আর পাঁচটা নাগরিকের মত তিনিও হিয়ারিংয়ে সামিল হয়েছিলেন। কিন্তু হিয়ারিং এর নামে চূড়ান্ত হয়রানির শিকার হতে হয় তাকেও বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, আমাকে কেন ডাকা হয়েছে তা নিজেরাই জানেন না।
যা নথি চেয়েছিল সমস্ত নথি জমা দিয়েছি, তাও আমাকে হিয়ারিংয়ে ডেকেছিল। আমি নির্বাচন কমিশনকে সম্মান জানিয়ে হাজির হয়েছি। কিন্তু ওরাও বলতে পারল না আমাকে কেন ডাকা হয়েছিল। আসলে বিজেপি এক কোটিরও বেশি ভোটারের নাম বাদ দিতে বলেছে, তাই বৈধ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য বারবার হিয়ারিং এর নামে হয়রানি করার জন্য ডাকা হচ্ছে। মঙ্গলবার হিয়ারিং-এ আসা প্রতিটি মানুষই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা জানান, এভাবে মানুষকে ডেকে হয়রানি করার কোনো কারণ তারা খুঁজে পাচ্ছেন না। বারবার এভাবে যদি ডাকে তাহলে আর আসবেন না বলে অনেকেই জানান।














