Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

‘রথযাত্রা’ আসলে ‘বিসর্জন যাত্রা’, বিজেপিকে বিদ্রুপ অভিষেকের

‘রথযাত্রা’ আসলে ‘বিসর্জন যাত্রা’, বিজেপিকে বিদ্রুপ অভিষেকের

বিজেপিকে প্রকাশ্য জনসভা থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, আসল খেলা হবে মে মাসে। রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরের গোপীনাথপুরে একটি জনসভায় উপস্থিত হয়ে তিনি গেরুয়া শিবিরকে নিশানা করেন। সভার শেষে চড়া সুরে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে অভিষেক বলেন, ‘আজ ট্রেলার দেখালাম, সিনেমাটা মে মাসে দেখাব ।’ তাঁর দাবি, ইডি বা সিবিআই বিজেপির পাশে থাকলেও তৃণমূলের শক্তি হলো বাংলার সাধারণ মানুষ।

মথুরাপুরের এই সভা থেকে অভিষেক কার্যত রণংদেহি মেজাজে ধরা দেন। হাতে একটি ছবি তুলে ধরে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেন তিনি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী বসে আছেন এবং রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে। এই ছবি দেখিয়ে অভিষেক প্রশ্ন তোলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বসে আছেন, রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে । আর আমাদের বলা হচ্ছে আমরা নাকি রাষ্ট্রপতিকে অপমান করছি !’ তিনি সাফ জানান, এই ছবি তাঁর নিজের তোলা নয়, এটি সরকারি তথ্যসংস্থা পিআইবি-র পোস্ট করা। রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি প্রশ্ন করেন, আসল অপমান কে করছেন? মণিপুর প্রসঙ্গেও সুর চড়ান তিনি। তাঁর দাবি, মণিপুরে দীর্ঘদিন ধরে হিংসা চললেও রাষ্ট্রপতির কোনো বিবৃতি সামনে আসেনি।

এসআইআর ইস্যুতেও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। তাঁর অভিযোগ, সামনে নির্বাচন থাকলেও প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষের নাম ‘বিচারাধীন’ হয়ে পড়ে আছে। তৃণমূল নেতার দাবি, বাংলার মানুষের অধিকার কাড়তে গিয়ে বিজেপি আসলে নিজেদের রাজনৈতিক কবর খুঁড়ছে। এসআইআর করতে এসে বিজেপি নিজেদেরই এসআইআর করে ফেলেছে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে অভিষেক জানতে চান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজের এক-চতুর্থাংশও বিজেপি করতে পেরেছে কি না।

বিজেপির রথযাত্রাকে ‘বিসর্জন যাত্রা’ বলে বিদ্রুপ করেন অভিষেক। তাঁর মতে, ওই যাত্রায় হাত নাড়ার লোকও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। শাহের পুরনো আক্রমণের জবাবে নিজের অবস্থানও স্পষ্ট করেন তিনি। অভিষেককে মুখ্যমন্ত্রী করার জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি হতে গেলে অগ্নিপরীক্ষা দিতে হয়। শাহ-পুত্র জয় শাহের বিসিসিআই ও আইসিসি-তে পদ পাওয়া নিয়েও তীব্র খোঁচা দেন তিনি। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তাঁর নির্দেশ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩১টি আসনেই জয় নিশ্চিত করতে হবে। ভোটের লিড বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা দিয়ে তিনি জানান, এটি কেবল জয়ের জন্য নয়, এটি আসলে প্রতিরোধের ভোট।

READ MORE.....