Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

বাজেটে বড় চমক!

বাজেটে বড় চমক!

আগামী ২২ জুন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করতে চলেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। রাজ্যে পালাবদলের পর এটিই বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট অধিবেশন, এবং হাতে সময় কম থাকায় অর্থ দপ্তরে খসড়া বাজেট তৈরির ব্যস্ততা তুঙ্গে। বাজেট পেশের আগে স্বপন দাশগুপ্ত সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করছেন বলে জানা গিয়েছে।

এই আবহে বাজেট সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্য নয়াদিল্লি যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর, যেখানে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে রাজ্যের আর্থিক বিষয় নিয়ে বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই বৈঠকে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত এবং অর্থ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মণও উপস্থিত থাকতে পারেন। আলোচনায় বাংলার জন্য বিশেষ আর্থিক প্যাকেজের আর্জি জানানো হতে পারে, এবং রাজ্যের উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিয়েও কথা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর শিল্প ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তৈরির দায়িত্ব কেন্দ্রের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে নীতি আয়োগকে। নীতি আয়োগের উপাধ্যক্ষ অশোক লাহিড়ীর নেতৃত্বে সেই পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রথম বাজেটেই এই ব্লুপ্রিন্ট এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শিল্পবান্ধব নীতির প্রতিফলন দেখা যেতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় জানিয়েছেন, অন্তত ৪২ জন বড় বিনিয়োগকারী পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছেন, যা প্রথম বাজেটের আগে একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকারি কোষাগারে বিপুল ঋণের বোঝা থাকা সত্ত্বেও জনস্বার্থের বিষয়টি মাথায় রেখে বাজেটে চমক দেওয়া প্রশাসনের জন্য একটি বড়ো চ্যালেঞ্জ।

রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরপরই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাংলার মানুষকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে এবারের বাজেটে বিশেষ চমক থাকবে। বুধবার ফলতার জনকল্যাণ কর্মসূচি থেকে তিনি ফের জানান, ২২ জুন বাজেট পেশ হবে, বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য নানা কর্মসূচি নেওয়া হবে, শিল্পের বিকাশ ঘটানো হবে এবং কৃষকদের বিষয়টিও বিশেষভাবে নজরে রাখা হবে। তবে বাজেটের আগে এর বেশি কিছু খোলসা করতে চাননি মুখ্যমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তও বাংলার অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, রাজ্যে দুর্বল রাজনীতি না করে অর্থনীতিকে মজবুত করতে হবে, বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান এবং শিল্পের প্রসার ঘটাতে হবে, এবং এক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে যৌথভাবে নজরদারি চালাতে হবে।

বাজেট অধিবেশনের প্রস্তুতির মধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিও জটিল রূপ নিয়েছে। রাজ্যে পালাবদলের পর প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙন দেখা দিয়েছে, এবং দলের বিদ্রোহী সাংসদরা নয়াদিল্লিতে গিয়ে নিজেদের মধ্যে বৈঠকে বসছেন। এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফর এবং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠক বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

READ MORE.....