আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে নতুন উপভোক্তাদের অন্তর্ভুক্ত করার কাজ জোরকদমে শুরু হয়েছে। এই কাজে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আশাকর্মীদের। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ দেখা দিয়েছে তাঁদের মধ্যে।
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, উপভোক্তাদের জন্য আগে থেকেই নাম ও আধার নম্বর উল্লেখ থাকা বিশেষ আবেদনপত্র বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। এই ফর্মগুলি সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের জন্য জমা দিতে হবে। সেই দায়িত্বই পালন করছেন আশাকর্মীরা।
পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই কাজে প্রায় ৫৮০ জন আশাকর্মীকে যুক্ত করা হয়েছে। প্রত্যেককে প্রতিদিন অন্তত ৫০টি বাড়িতে যাওয়ার লক্ষ্য দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে এই কাজ শেষ করার নির্দেশ রয়েছে। এত অল্প সময়ে এত বড় কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
জানা গিয়েছে, কেন্দ্রের খাদ্যসুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় থাকা রেশন কার্ডধারীদের নাম অনুযায়ী ফর্ম পাঠানো হচ্ছে। প্রতিদিন নতুন নতুন ফর্মের তালিকা পৌঁছচ্ছে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে। সেই ফর্ম নিয়ে আশাকর্মীরা সরাসরি উপভোক্তাদের বাড়িতে যাচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছেন।
আশাকর্মীদের দাবি, প্রতিদিন ৫০টি পরিবারের কাছে পৌঁছানো সবসময় সম্ভব হয় না। কারণ অনেক সময় বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায় না বা বিভিন্ন কারণে তথ্য সংগ্রহে দেরি হয়। তাই নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
যদিও প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ৫০টি বাড়ি কভার করা সম্ভব না হলেও প্রতিদিন অন্তত ৩০টি পরিবারের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে হবে। একই সঙ্গে এই অতিরিক্ত কাজের জন্য আশাকর্মীদের বাড়তি সম্মানিক দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। তবে সেই অর্থের পরিমাণ বা কবে তা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়নি।
বর্তমানে ফর্ম সংগ্রহের কাজ চললেও পরবর্তী ধাপে কীভাবে উপভোক্তাদের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।














