Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেটে বিপুল কর্মসংস্থানের দিশা

বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেটে বিপুল কর্মসংস্থানের দিশা

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে বিপুল কর্মসংস্থান ও বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা। রাজ্যে শিল্পায়ন, বিপুল বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানকে পাখির চোখ করে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের প্রথম বাজেট পেশ করল বিজেপি সরকার। সোমবার বিধানসভায় এই বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। সেমিকন্ডাক্টর থেকে স্টার্ট-আপ, গ্রিন এনার্জি থেকে লজিস্টিকস- সব ক্ষেত্রেই বিনিয়োগ টানতে ১৪ দফার এক পূর্ণাঙ্গ ‘মাস্টারপ্ল্যান’ ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বাজেট পেশ করলেন নতুন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। বক্তৃতার শুরুতেই তিনি বলেন, ‘আমরা জাগরিত শক্তির প্রেরণার ভিত্তিতে আমাদের প্রথম বাজেট রূপরেখা তৈরি করেছি’। অর্থমন্ত্রী আরও তুলে ধরেন, রাজ্যে চালু থাকা সমস্ত সামাজিক সুরক্ষাপ্রকল্প অব্যাহত রাখার পাশাপাশি, সমাজের সবচেয়ে দুর্বল শ্রেণির কাছে সুবিধা পৌঁছে দিতে এগুলিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেইসঙ্গে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়তে রাজ্য সরকার শুরু করছে নতুন উদ্যোগ, ‘আপনার সরকার, আপনার পাশে’।

স্বাগত জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

এ দিনের বাজেট প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ‘এই বাজেটের পরে তো বিরোধীদের বলার আর কিছুই নেই’। পূর্বতন বাম ও তৃণমূল সরকারকেও খোঁচা মারতে ছাড়েননি তিনি। বাজেট কতটা সন্তোষজনক তা বোঝাতে এ দিন সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু তুলে ধরেন বহুবারের বিধায়ক এক বিরোধী বিধায়কের কথা। পেশায় আইনজীবী ওই বিধায়ক সমালোচনা করার কিছু না পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে নাকি বলেছেন, ‘কিছুই তো বলার নেই। তবু বলব, আইনজীবীদের জন্য কিছু থাকলে ভালো হতো’। বাজেটের কথা বলতে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তাঁর কথায়, ‘এই বাজেটে পাহাড়ও হাসছে, তরাই-ডুয়ার্সও আছে, সুন্দরবনকেও বাঁচানোর কথা আছে। উত্তরবঙ্গে আইআইটি, এইমস-এর কথাও আছে। বলে শেষ করা যাবে না’। তবু তাও যদি কোনও ক্ষেত্রে ফাঁকফোকর থেকে থাকে, শীঘ্রই তা মিটিয়ে ফেলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি, ‘২০২৭-এর ফেব্রুয়ারি মাসে পরবর্তী বাজেটে বাকি ফাঁকফোকর মেকআপ করে ফেলা হবে’। পূর্বতন বাম সরকার ও তৃণমূল সরকারকেও কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বন্ধু হিসেবে কয়েকটা মাস দিন আমাকে। নতুন অর্থমন্ত্রীর সবটা বুঝতে সময় লাগবে। এর আগে একজনকে ৩৪ বছর সময় দিয়েছেন। তারা চিরকুটে নিজেদের লোককে চাকরি ও তালা লাগানোর কাজ ছাড়া আর কিছু করেননি। আরেকজন গত ১৫ বছরের সাদা খাতায় চাকরি দিয়েছেন। এরাই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় বড় বড় কথা বলেন’। নাম না করে বাম ও তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তাঁর চ্যালেঞ্জ, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় যত সমালোচনা হবে তত কাজের গতি বাড়বে’।

ডিএ বৃদ্ধি ২০ শতাংশ

সিপিএম নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট সরকার হোক অথবা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের ১৫ বছরে কখনো সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা একসঙ্গে এতখানি বাড়েনি কখনো। বাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটেই বিজেপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বা সংকল্প পত্র মেনে সরকারি কর্মচারীদের জন্য ঘোষণা হল ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা। আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হতে চলেছে আরও ২০ শতাংশ মহার্ঘভাতা বা ডিএ, যার ফলে মোট ডিএ দাঁড়াল ৩৮ শতাংশে। এর ফলে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে রাজ্যের ডিএ-র ফারাক কমে দাঁড়াল ২২ শতাংশে। বাজেট শেষে রাজ্য সরকারি কর্মীদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের ন্যায্য অধিকারের আন্দোলনের আমিও একটা অংশ ছিলাম। আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন, আপনাদের হকের টাকা আপনারা ঠিক পেয়ে যাবেন’। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যে ইতিমধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা হয়ে গিয়েছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই এই কমিশনের চূড়ান্ত রিপোর্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে এবং নতুন বছরের জানুয়ারি মাস থেকেই তা রাজ্যে কার্যকর করে দেওয়া হবে। কেন্দ্রে ইতিমধ্যে অষ্টম বেতন কমিশন গঠন হওয়ার কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু জানান, রাজ্য সরকারও এই বিষয়ে আর পিছিয়ে থাকবে না। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৮-২৯ অর্থবর্ষের মধ্যেই রাজ্যে অষ্টম পে কমিশন কার্যকর হতে পারে বলে বড় ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

এক লক্ষ কর্মসংস্থান

বেকারত্ব দূরীকরণে মোট ১ লক্ষ শূন্যপদে নতুন নিয়োগের ঘোষণা করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে মহিলাদের জন্য। এই নিয়োগের বড় অংশ জুড়ে থাকছে ২০ হাজার পুলিশ কর্মী এবং ৫০ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। এছাড়া যোগ্য ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ অগ্নিবীরদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে এবং সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ৫ বছরের ছাড় আরও ২ বছরের জন্য বহাল থাকবে।

যুব সমাজের জন্য ঘোষণা

২১ থেকে ৪৫ বছর বয়সী শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য আগামী অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে ‘ভরসা কর্মসূচি’। যে পরিবারের বার্ষিক আয় ১ লক্ষ টাকার কম, সেই পরিবারের স্নাতক বেকার যুবকরা পাবেন মাসে ৩০০০ টাকা এবং অন্যান্য শিক্ষিত বেকাররা পাবেন মাসে ২০০০ টাকা করে ভাতা। পাশাপাশি, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য রাজ্যের প্রতিটি জেলায় চালু হতে চলেছে বিনামূল্যের কোচিং সেন্টার। অন্যদিকে, প্রাথমিক স্কুলের মিড ডে মিলের উপকরণের খরচ বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হচ্ছে এবং ইসকনের সহযোগিতায় কলকাতা পুরসভা এলাকায় পুষ্টিকর মিড ডে মিল দেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে।

বাজেটে নয়া আবগারি নীতি

রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সামাজিক পরিবেশের মানোন্নয়ন এবং সুরক্ষার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দায়িত্ব নেওয়ার পরেই তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, যেখানে-সেখানে মদের দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া যাবে না এবং নতুন লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে কড়া নজরদারি চালাতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সেই কড়া অবস্থানকে মান্যতা দিয়েই রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে মদের দোকানের লাইসেন্স ও অবস্থান সংক্রান্ত এক ঐতিহাসিক ও কঠোর নীতি ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। সোমবার বিধানসভায় পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত এই সংক্রান্ত নতুন নিয়মাবলী জনসমক্ষে আনেন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে রাজ্যের যেকোনো প্রান্তেই কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল এবং ধর্মীয় বা পবিত্র স্থানের ১ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো মদের দোকানের লাইসেন্স ইস্যু করা হবে না। তবে কলকাতা পৌরসভা এলাকার ঘন জনবসতির কথা মাথায় রেখে এই দূরত্বের পরিমাপ ন্যূনতম ৫০০ মিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, এই নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে গিয়েই একমাত্র আইনসম্মত শর্ত মেনে মদের দোকান খোলার লাইসেন্স মিলবে।

‘সিন্ডিকেট’ রাজ খতম ও প্রশাসনিক সংস্কার

বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে রাজ্যে ১০০ কোটি টাকা বা তার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত স্তরের জটিলতা এড়াতে সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেম চালু হচ্ছে। পুরনো ইনল্যান্ড ফিশারিজ আইন পুনর্বিবেচনা করা হবে। সবচেয়ে বড় বিষয়, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তোলাবাজি ও সিন্ডিকেটের দাপট চিরতরে রুখতে কড়া নতুন আইন আনার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে এবারের বাজেটে। সব মিলিয়ে, রাজ্যকে শিল্পবান্ধব করে তুলতেই এই ব্লু-প্রিন্ট।

নারী শক্তির জন্য বিশেষ ঘোষণা

মহিলাদের জন্য আসছে ‘পিঙ্ক কার্ড’, যার মাধ্যমে এবার থেকে বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত করা যাবে এবং এই পরিষেবার জন্য বাজেটে ৫৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দরিদ্র মানুষের মুখে অন্ন তুলে দিতে ‘অন্নপূর্ণা যোজনার’ জন্য বিপুল ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। অন্যদিকে, বিধায়কদের এলাকার উন্নয়নের জন্য বিধায়ক তহবিল ৭০ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ কোটি টাকা করা হচ্ছে। কলেজে পাঠরত অবিবাহিত ছাত্রীদের জন্যও বড় ঘোষণা করেছে সরকার। এককালীন তাঁরা পেতে চলেছেন ৫০ হাজার টাকা। জোর দেওয়া হচ্ছে শহরাঞ্চলে খাদ্য সুরক্ষাতেও। দরিদ্র ও অসহায় মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শহরাঞ্চলে ৪০০টি ‘মা আহার’ কেন্দ্র চালু রয়েছে। এই কেন্দ্রগুলিতে ডিম, মাছ ও সবজি-সহ পুষ্টিকর খাবার মাত্র ৫ টাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও ২১০টি নতুন ‘মা আহার’ কেন্দ্র চালুর ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী।

সামাজিক সুরক্ষায় জোর

সামাজিক সুরক্ষায় বয়স্ক, বিধবা এবং বিশেষ ভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের মাসিক ভাতা এক ধাক্কায় ৫০০ টাকা বাড়ানো হলো। বড় সুখবর পেয়েছেন চুক্তিভিত্তিক কর্মীরাও। এবার থেকে অঙ্গনওয়াড়ি ও আশাকর্মীদের মাসিক সাম্মানিক এক লাফে বাড়ছে ৫০০০ টাকা! সেই সাথে সিভিক ভলান্টিয়ার, ভিলেজ পুলিশ, গ্রিন পুলিশ ও হোমগার্ডদের পারিশ্রমিক বাড়ছে ২০০০ টাকা করে। এই তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে এনভিএফ কর্মী, প্রাণীবন্ধু ও প্রাণী মিত্রদেরও, তাঁদেরও পারিশ্রমিক ২০০০ টাকা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ছাড়া, স্টেট ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের চুক্তিভিত্তিক কন্ডাক্টরদের পারিশ্রমিক বাড়িয়ে করা হচ্ছে মাসে ১৬ হাজার টাকা।

বাড়ল বিধবা ও বার্ধক্য ভাতা

বয়স্ক, বিধবা এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের মাসিক পেনশন ৫০০ টাকা করে বাড়িয়ে ১,৫০০ টাকা করা হয়েছে। এতদিন এই ভাতার পরিমাণ ছিল ১,০০০ টাকা। এর ফলে রাজ্যের লক্ষাধিক উপভোক্তা এখন থেকে বর্ধিত হারে সরকারি এই আর্থিক সহায়তা পাবেন।

উত্তরবঙ্গে আইআইটি ও এইমস

শিক্ষা প্রসারে ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়ায় তৈরি হবে দুটি নতুন কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঝাড়গ্রামে তৈরি হচ্ছে একটি আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয়। রাজ্যের আদর্শ বিদ্যালয়গুলির জন্য ২১০০ কোটি টাকা এবং সংস্কৃত ভাষার প্রসারে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য এক বিরাট উপহার দিয়ে সেখানে একটি নতুন আইআইটি এবং এইমস তৈরির ঐতিহাসিক ঘোষণা করা হয়েছে।

নয়া মেট্রো ও বিমানবন্দর

যোগাযোগ ব্যবস্থার বিশেষ পরিবর্তন আনতে এবার কলকাতার বাইরের জেলাতেও ছুটবে মেট্রো! বাজেটে দুর্গাপুর, আসানসোল এবং শিলিগুড়িতে মেট্রো পরিষেবা চালুর মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিমান পরিষেবার ক্ষেত্রে কলকাতার কাছে কল্যাণীর বিস্তীর্ণ জমিতে তৈরি হতে চলেছে একটি নতুন ‘গ্রিনফিল্ড’ বিমানবন্দর। সেই সাথে কেন্দ্রের ‘উড়ান’ প্রকল্পের হাত ধরে পুরুলিয়া, বালুরঘাট এবং মালদহেও নতুন বিমানবন্দর তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন জেলা ও পৌরসভা

প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে রাজ্যে তৈরি হতে চলেছে ৫টি নতুন জেলা, কলকাতা, বসিরহাট, সুন্দরবন, জঙ্গিপুর এবং আরামবাগ। পাশাপাশি কাঁথিতে নতুন পুলিশ জেলা, গোপীবল্লভপুরে নতুন মহকুমা এবং মোট ৯টি এলাকায় নতুন পুরসভা গড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে সিন্ডিকেট রাজ ও তোলাবাজি রুখতে দ্রুত কড়া আইন আনা হচ্ছে। দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে শুরু হতে চলেছে একটি বড় ট্যুরিজম ব্র্যান্ডিং ক্যাম্পেন।

পরিকাঠামো ও খেলাধুলো

রাজ্যের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে আনা হয়েছে একাধিক বড় চমক। আসামের কাজিরাঙার আদলে তৈরি হবে চিংড়িঘাটা-নিউটাউন এলিভেটেড করিডর। এছাড়া নদী পারাপার আরও সহজ করতে ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হবে ভাগীরথী সেতু এবং ময়ূরেশ্বর নদীর উপর তৈরি হতে চলেছে একটি নতুন ৪ লেনের সেতু। খেলাধুলোর উন্নতির জন্য উত্তরবঙ্গে তৈরি হবে আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম এবং প্রতিটি বিধানসভায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হবে মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম।

READ MORE.....