২৩ শে জুন, কেটে গেল এক বছর। ঠিক একই দিনে দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমার আঘাতে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছিল চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী তামান্না খাতুন। ২৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হলেও মাত্র ১১ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এখনো অধরা ১৩ জন অভিযুক্ত। এক বছরের মধ্যে প্রশাসনিক দরজায় দরজায় ঘুরে বেড়ালেও সম্পূর্ণ দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করেনি পুলিশ প্রশাসন। এবার প্রত্যেকটি দোষীর শাস্তির দাবিতে রাস্তায় নামল বামপন্থী সংগঠন। মঙ্গলবার নদীয়া জেলা শাসক দপ্তরে বামপন্থী সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়।
পাশাপাশি মৌন মিছিলের মধ্যে দিয়ে প্রতিবাদ জানানো হয় চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী তামান্না খাতুনের মৃত্যুর। সম্প্রীতি ২৩ শে জুন ২০২৫ সালে নদীয়ার কালিগঞ্জের উপনির্বাচনের তৃণমূলের বিজয় উল্লাসে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমার আঘাতে ক্ষত বিক্ষত হয়ে মৃত্যু হয় চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী তামান্না খাতুনের। তুলকালাম পরিস্থিতি হয় এলাকায়। এরপর তামান্নার মা সাবিনা ইয়াসমিন মেয়ের মৃত্যুর দোষীদের শাস্তির দাবিতে কাকুতি- মিনতি করতে থাকেন প্রশাসনের কাছে।
২৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হলেও এক বছরের মধ্যে ১১ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ, কিন্তু মূল অভিযুক্তসহ একাধিক অভিযুক্ত এখনো অধরা। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ঘটেছে পালাবদল, সরকার গঠন করেছে বিজেপি, কিন্তু তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে এখনো পদক্ষেপ নেয়নি পুলিশ প্রশাসন। এদিন পুনরায় তামান্না খাতুন এর মৃত্যুর দোষীদের শাস্তির দাবিতে মিছিল করে প্রতিবাদ করল বাম সংগঠন। তাদের দাবি অবিলম্বে এখনো অধরা দোষীদের শাস্তি দিতে হবে, না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলন চলবে গোটা বাংলা জুড়ে।













