Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

পশ্চিমবঙ্গে অপরাধীদের কোনও স্থান নেই : শমীক

পশ্চিমবঙ্গে অপরাধীদের কোনও স্থান নেই : শমীক

হুগলির জেলা বিজেপি কার্যালয়ে সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিয়ে বিভিন্ন সমসাময়িক ইস্যুতে মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি সাম্প্রতিক এনকাউন্টার প্রসঙ্গে বলেন, পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্পূর্ণ প্রশাসনের বিষয়। তবে তাঁর দাবি, এই ঘটনার মাধ্যমে একটি স্পষ্ট বার্তা গিয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গে অপরাধীদের কোনও স্থান নেই। শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘পুলিশ মনে করেছে যে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তারা সেই ব্যবস্থাই নিয়েছে। কোন পরিস্থিতিতে গুলি চালানো হয়েছে, তা সম্পূর্ণ প্রশাসনের বিষয়। তবে এই ঘটনার মাধ্যমে রাজ্যে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের বার্তা গিয়েছে। অপরাধীদের কোনও ধর্ম বা জাত হয় না।

 

অতীতে একটি সরকার সেই বিষয়টি ভুলে গিয়েছিল’। তিনি আরও বলেন, সরকারের প্রতিটি বিষয়ে রাজনৈতিক দল হস্তক্ষেপ করবে না। তাঁর বক্তব্য, ‘আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রয়েছেন। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাঁরাই যা বলার বলবেন। তবে এই ধরনের পদক্ষেপে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ সন্তুষ্ট। শুধু একটি ঘটনা নয়, আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত প্রতিটি ক্ষেত্রেই মানুষের প্রত্যাশা রয়েছে’। কামদুনি মামলার প্রসঙ্গ টেনে বিজেপি রাজ্য সভাপতি অভিযোগ করেন, ‘সেই সময় তদন্ত ও চার্জশিট এমনভাবে সাজানো হয়েছিল যাতে একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী সুবিধা পায় এবং ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করা যায়। নির্যাতিত পরিবার যাতে প্রকৃত বিচার পায়, সেই আশা করছি’। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিজেপি কোনও প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না।

 

সেই কারণেই তৃণমূল কংগ্রেসের বহু সাংসদ ও বিধায়ক আজও স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন’। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এবং সম্ভাব্য শ্বেতপত্র প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এ বিষয়ে যা বলার সরকারই বলবে। দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা মানুষের সমস্যা, অভাব-অভিযোগ এবং প্রত্যাশাকে সামনে রেখে একটি সংকল্পপত্র প্রকাশ করেছিলাম। মানুষ আমাদের আশীর্বাদ করেছেন এবং দুই-তৃতীয়াংশ আসন দিয়ে সরকার গঠনের সুযোগ দিয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, সরকার কত দ্রুত সেই সংকল্পপত্রের প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়ন করতে পারে’। তিনি আরও বলেন, গত পঞ্চাশ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ দলকেন্দ্রিক সরকার দেখেছেন। বর্তমান সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি, সেই প্রত্যাশা পূরণ করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

READ MORE.....