১০ আগস্ট হিন্দু জনজাগৃতি মহাসভার প্রতিষ্ঠা দিবস। প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠা দিবসকে সামনে রেখে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এই দিনটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস স্মরণ করার পাশাপাশি আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের নতুন অঙ্গীকারের দিন হিসেবে পালন করা হবে। হিন্দু জনজাগৃতি মহাসভা প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ ও জাতীয় চেতনার ভাবনাকে সামনে রেখে সমাজের মধ্যে সচেতনতা, ঐক্য ও দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে আসছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র সাংগঠনিক বিস্তারই তাদের লক্ষ্য নয়, সমাজের মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগানো এবং দেশের প্রতি দায়িত্বশীল নাগরিকত্বের চেতনা তৈরি করাও সংগঠনের অন্যতম উদ্দেশ্য। প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও রাজ্যস্তরের নেতৃত্ব, বিভিন্ন জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কার্যকর্তা এবং সদস্যদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে সংগঠনের গত দিনের কর্মসূচি ও কার্যক্রমের পর্যালোচনার পাশাপাশি আগামী দিনের বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হবে। প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে হিন্দু জনজাগৃতি মহাসভার কেন্দ্রীয় সভাপতি শ্রী আকাশ সাধু বলেন, “১০ আগস্ট আমাদের কাছে শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠা দিবস নয়, এটি আত্মসমীক্ষা ও নতুন করে সংকল্প গ্রহণের দিন। যে আদর্শ ও লক্ষ্যকে সামনে রেখে সংগঠনের পথচলা শুরু হয়েছিল, সময়ের সঙ্গে সেই দায়িত্ব আরও বেড়েছে।
আমাদের লক্ষ্য শুধু একটি সংগঠনকে বড় করা নয়, সমাজের মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং জাতীয় চেতনা জাগ্রত করা।” তিনি আরও বলেন, “ভারতের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য আমাদের গর্ব। সেই ঐতিহ্যকে সম্মান করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সচেতনতা তৈরি করতে হবে। পরিবর্তন শুধু বক্তব্যের মাধ্যমে আসে না, পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন সুশৃঙ্খল কর্মপ্রচেষ্টা, আত্মত্যাগ এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা।” কেন্দ্রীয় সভাপতি জানান, আগামী দিনে সংগঠনটি আরও বেশি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায়। তিনি বলেন, “দেশ রক্ষা, ধর্ম রক্ষা ও সমাজ রক্ষার ভাবনাকে সামনে রেখে আমাদের প্রত্যেককে নিজের দায়িত্ব পালন করতে হবে।
প্রতিষ্ঠা দিবসে আমরা সেই দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার আরও দৃঢ় করতে চাই।” সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিষ্ঠা দিবসের পর আগামী দিনগুলিতে সামাজিক সচেতনতা, বৃক্ষরোপণ, সাংস্কৃতিক চর্চা, জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ এবং বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মসূচিকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিষ্ঠার পথ পেরিয়ে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর সামাজিক পরিসরে কাজ করার প্রত্যয় নিয়েছে হিন্দু জনজাগৃতি মহাসভা। ১০ আগস্টের প্রতিষ্ঠা দিবস সেই পথচলায় নতুন উদ্যম ও নতুন সংকল্পের সূচনা করবে বলেই মনে করছে সংগঠনের নেতৃত্ব।














