Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

যাদবপুর স্টেশনে ৩,০৪৫ বর্গমিটারের বাজার, ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য বরাদ্দ ৫৯ শতাংশ

যাদবপুর স্টেশনে ৩,০৪৫ বর্গমিটারের বাজার, ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য বরাদ্দ ৫৯ শতাংশ

যাদবপুর স্টেশনকে শুধু ওঠানামার জায়গা না রেখে শহরের একটি সক্রিয় বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোগী পূর্ব রেল। স্টেশন লাগোয়া রেলের জমিতে প্রায় ৩,০৪৫ বর্গমিটার এলাকায় তৈরি হবে ‘মিনি মার্ট’। এই প্রকল্পে বড় ব্যবসার পাশাপাশি স্থানীয় হকার ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে রেলের জমিতে অনিয়ন্ত্রিত ব্যবসার বদলে পরিকল্পিত পরিকাঠামোয় ছোট ব্যবসাকে আনার একটি নতুন মডেল তৈরি হতে চলেছে। শিয়ালদহ বিভাগের ডিআরএম রাজীব সাক্সেনা জানিয়েছেন, মিনি মার্টের মোট জায়গার ৫৯ শতাংশ ছোট দোকানদার ও স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য রাখা হবে।

 

তাঁর কথায়, ‘এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল স্থানীয় হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আইনি ও সংগঠিত কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া। স্টেশনে চত্বরে জায়গা বণ্টনের ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে।’ প্রতিটি দোকান বা কিয়স্কের আয়তন সর্বাধিক ৮০ বর্গফুট হবে। পূর্ব রেলের পরিকল্পনায় বড় সংস্থা বা বিপণন প্রতিষ্ঠানের জন্য থাকবে ২৫ শতাংশ জায়গা। ২০ শতাংশের বেশি এলাকা হাঁটার পথ হিসেবে রাখা হবে। খোলামেলা পরিবেশ, বাতাস চলাচল এবং স্টেশন চত্বরের সৌন্দর্য বজায় রাখার ব্যবস্থাও থাকবে। জনপরিষেবা ও গাড়ি রাখার জায়গার জন্যও পৃথক অংশ নির্ধারিত হবে।

 

দশ বছরের চুক্তিতে প্রকল্পটি গড়ে তোলার মাধ্যমে রেলের ভাড়াবহির্ভূত আয় বাড়ানোর লক্ষ্যও রয়েছে। তবে অর্থ আয়ের পাশাপাশি যাত্রীদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানো এবং স্থানীয় ব্যবসাকে সংগঠিত করাই প্রকল্পের বড় দিক। স্টেশন উন্নয়নের বৃহত্তর পরিকল্পনাও এর সঙ্গে যুক্ত। নতুন টিকিট বুকিং দফতর, লিফট-সহ আধুনিক ফুটওভার ব্রিজ এবং দুই প্রান্তের ঘোরাফেরার এলাকাটির সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে।

 

পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি বলেন, ‘এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে যাদবপুর স্টেশন কেবল একটি ট্রানজিট পয়েন্ট নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ সিটি সেন্টারে পরিণত হবে।’ তাঁর মতে, যাত্রী পরিষেবা উন্নত করার পাশাপাশি স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সংগঠিত সুযোগ দেওয়াও এই পরিকল্পনার অন্যতম উদ্দেশ্য। এই উদ্যোগের তাৎপর্য আরও স্পষ্ট হয় রেলের জমিতে বেআইনি দখল উচ্ছেদের বর্তমান প্রেক্ষাপটে। এক দিকে অননুমোদিত হকারি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা, অন্য দিকে নির্দিষ্ট জায়গা দিয়ে ছোট ব্যবসায়ীদের বৈধ পরিসর তৈরি—যাদবপুরের প্রকল্পে দু’টি লক্ষ্যকে একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে পূর্ব রেল।

READ MORE.....