কলকাতা প্রিমিয়ার ডিভিশনে টানা পাঁচ ম্যাচ জয়ের পর অবশেষে ‘জয়রথ’ থামল ভবানীপুর ক্লাবের। তবে অন্য প্রধান মোহনবাগানকে হারানোর পর ইস্টবেঙ্গলকেও ৩ পয়েন্ট পেতে দিল না কোচ রঞ্জন চৌধুরীর দল। শুক্রবারের হাইভোল্টেজ ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করল দুই দল। এই অমীমাংসিত ফলাফলের পর ৭ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে কলকাতা লিগের পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রাখল ভবানীপুর। অন্যদিকে ৬ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানেই রইল বিনো জর্জের লাল-হলুদ ব্রিগেড।
গত ম্যাচে মোহনবাগানকে হারিয়ে দারুণ ছন্দে থাকা ভবানীপুর ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ধার বজায় রাখে। দলের আক্রমণভাগের সাহিল হরিজন ও অধিনায়ক জিতেন মুর্মু লাগাতার চাপ সৃষ্টি করেন ইস্টবেঙ্গল রক্ষণে। অন্যদিকে লাল-হলুদ শিবিরের হয়ে ডান উইং ধরে বিজয় মুর্মুর কার্যকর দৌড় নজর কাড়ে। একাধিক আক্রমণ ও সুযোগ তৈরি হলেও গোল করতে ব্যর্থ হয় দুই পক্ষই। প্রথমার্ধ শেষ হয় ০-০ অবস্থায়।
বিরতির পর নেমেই ইস্টবেঙ্গল রক্ষণকে চমকে দেন ২১ বছর বয়সি ভবানীপুর ফুটবলার শ্যামল বেসরা। তাঁর লক্ষ্যভেদ দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়। গোল হজম করার পরপরই সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে লাল-হলুদ। ৫২ মিনিটে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত বাঁকানো শটে গোল করে সমতা ফেরান ইস্টবেঙ্গলের অনন্তু এনএস। ম্যাচের ৭১ মিনিটে জয়সূচক গোল করার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন সেই অনন্তু। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া তাঁর জোরালো শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়।
ম্যাচের শেষ লগ্নে ৮০ মিনিটে সঞ্জীব ঘোষ এবং ৮৯ মিনিটে রবি হাঁসদা গোল করার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করলে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট হাতছাড়া হয় ইস্টবেঙ্গলের। এদিন ম্যাচ চলাকালীন ডাগআউটের বাইরে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। ভবানীপুরের ফিজিও কুণাল ঘোষ লাল কার্ড দেখেন। ডাগআউট থেকে বেরিয়ে এরিয়ান গ্যালারির সামনে এলে দর্শকদের সঙ্গে বচসা ও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি।














