ওড়িশায় পাঁচটি ওরাংওটাং চুরি যাওয়ার ঘটনা এখন দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এই বিরল প্রজাতির প্রাণীগুলিকে কারা, কোন পথে নিয়ে এসেছিল, তা নিয়ে রহস্য ক্রমশ বাড়ছে। শুক্রবার ওড়িশা পুলিশের ডিজি বিনয়তোষ মিশ্র ক্রাইম ব্রাঞ্চের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সকে (এসটিএফ) এই ঘটনায় মামলা রুজু করার নির্দেশ দিয়েছেন।
ইতিমধ্যে এসটিএফ-এর দল পশ্চিমবঙ্গের দিঘার একটি ব্যক্তিগত হোটেল থেকে ওরাংওটাং পাচারের সন্দেহে তিনজনকে গ্রেফতার করে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তদন্তে জানা গেছে, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা কালো রঙের গাড়িটি ওই হোটেলের মালিকেরই।ডিজি জানান, বন দফতরের আধিকারিকদের অনুরোধে তিনি মামলাটি এসটিএফ-এর হাতে দিয়েছেন এবং তদন্ত আজ থেকেই শুরু হয়েছে। তাঁর কথায়, সাত-আটদিনের মধ্যে মামলার অগ্রগতি স্পষ্ট হবে এবং এসটিএফ-এর বন্যপ্রাণী শাখা ইতিমধ্যে তল্লাশি শুরু করেছে। পূর্ণাঙ্গ প্রমাণ হাতে এলে গণমাধ্যমকে জানানো হবে বলেও তিনি জানান।
বালেশ্বর থেকে উদ্ধার হওয়া ওরাংওটাং শাবকগুলি মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হলেও বর্তমানে সুস্থ আছে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণবিদ প্রেম কুমার ঝাঁ জানান, তারা খাচ্ছে, খেলছে এবং ধীরে ধীরে নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বিরল বন্যপ্রাণীর অবৈধ পাচারের জন্য ওড়িশাকে ট্রানজিট রুট হতে দেওয়া হবে না। এই চক্রের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।














