সূর্য থেকে নির্গত তীব্র সৌরকণার মেঘ ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। রবিবার, ১১ অক্টোবর এই সৌরঝড়ের প্রভাবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে একটি মাঝারি মাত্রার ‘জি-দুই’ শ্রেণির ভূ-চৌম্বকীয় ঝড় সৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নোয়া। এর ফলে কৃত্রিম উপগ্রহের যোগাযোগ ব্যবস্থা, জিপিএস পথনির্দেশ এবং বেতার তরঙ্গে কিছু বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। সূর্যপৃষ্ঠে সম্প্রতি হওয়া জোড়া বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ আধানযুক্ত কণা মহাকাশে ছড়িয়ে পড়েছে। এই সৌরকণাই তীব্র গতিতে এসে পৃথিবীর চৌম্বকীয় ক্ষেত্রে ধাক্কা মারবে।
মার্কিন জাতীয় মহাসাগরীয় ও বায়ুমণ্ডলীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এই ঝড়ের প্রভাবে মেরু সংলগ্ন অঞ্চলে চোখধাঁধানো মেরুজ্যোতি দৃশ্যমান হতে পারে। তবে এর চূড়ান্ত প্রভাব কতটা তীব্র হবে, তা নির্ভর করবে সৌরকণাগুলি পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রের সঙ্গে কীভাবে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তার ওপর। এই সৌরঝড় ভারতের মতো নিরক্ষরেখার কাছাকাছি দেশে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে।
বিজ্ঞানীদের মতে, মাঝারি মাত্রার এই ঝড়ে ভারতের মূল বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বা সাধারণ নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা বেশ কম। সাধারণত উচ্চ অক্ষাংশ বা মেরু সংলগ্ন দেশগুলিতেই ভূ-চৌম্বকীয় ঝড়ের তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়। তবে সাময়িকভাবে উচ্চ তরঙ্গের বেতার সংকেত এবং বিমানের যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সামান্য ব্যাঘাত ঘটতে পারে। মহাকাশের আবহাওয়া সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক নজরদারি সংস্থাগুলি পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রেখে চলেছে।














