Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

আগামী শিল্প বিপ্লবে নেতৃত্ব দেবে ভারত, মন্ত্রী জীতেন্দ্র সিং

আগামী শিল্প বিপ্লবে নেতৃত্ব দেবে ভারত, মন্ত্রী জীতেন্দ্র সিং

বায়োটেকনোলজি (জৈবপ্রযুক্তি) এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই)-এর যুগলবন্দিতে বিশ্বজুড়ে যে পরবর্তী শিল্প বিপ্লব ঘটতে চলেছে, ভারত সেখানে বিশ্বমঞ্চে মূল ভূমিকা পালন করতে চলেছে বলে আশাপ্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ড. জীতেন্দ্র সিং।

 

রবিবার প্রযুক্তি বিকাশকারী, শিল্পনেতা ও অন্যান্য অংশীদারদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত একটি মিডিয়া কনক্লেভে বক্তব্য রাখার সময় তিনি জোর দিয়ে জানান যে, ভারত অতীতে প্রযুক্তি অনুসরণের পর্যায় থেকে বেরিয়ে এসে এখন একাধিক ক্ষেত্রে বিশ্বনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে ঘটে যাওয়া আগের শিল্প বিপ্লবে ভারত কিছুটা দেরিতে অংশ নিয়েছিল। তবে নতুন যুগের এই প্রযুক্তিগত রূপান্তরকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য দেশ এখন সম্পূর্ণ তৈরি। ভারতই বিশ্বের অন্যতম প্রথম কয়েকটি দেশের মধ্যে একটি যা বায়োটেকনোলজির ওপর একটি সুনির্দিষ্ট নীতি— ‘বায়ো-ই৩’ নীতি কার্যকর করেছে।

 

এর পাশাপাশি ‘ন্যাশনাল কোয়ান্টাম মিশন’ এবং ‘ইন্ডিয়া-এআই মিশন’-এর মতো বড় প্রকল্পগুলির দ্রুত অগ্রগতি ভারতের অবস্থানকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়েছে। দেশের মহাকাশ অর্থনীতির অভূতপূর্ব বৃদ্ধির কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালে মহাকাশ ক্ষেত্রকে বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের ফলে এই ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন এসেছে। একসময় যে মহাকাশ অর্থনীতির আকার ছিল নগণ্য, তা বর্তমানে বেড়ে প্রায় ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে এবং আগামী আট থেকে নয় বছরে তা ৪০ থেকে ৪৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। দেশীয় স্পেস স্টার্টআপগুলির রকেট তৈরি এবং অত্যন্ত অল্প সময়ে ইউনিকর্ন মর্যাদা পাওয়ার ঘটনাই ভারতের মেধা ও সম্ভাবনার পরিচয় দেয়। মহাকাশ গবেষণায় চন্দ্রযান মিশনের মাধ্যমে চাঁদে জলের কণার উপস্থিতি প্রমাণের মতো ঘটনা আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতীয় বিজ্ঞানীদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সার্কুলার ইকোনমি এবং জৈবপ্রযুক্তি বিশ্ব অর্থনীতিকে নতুন করে সাজাচ্ছ।

 

বায়োটেকনোলজি আগামীদিনে স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের পাশাপাশি বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। এছাড়াও, পারমাণবিক শক্তি ক্ষেত্রকে বেসরকারি অংশগ্রহণকারীদের জন্য উন্মুক্ত করার প্রক্রিয়ার ফলে নতুন নতুন ব্যবসার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর লক্ষ্য পূরণ করতে হলে ভারতকে কেবল বিদেশি প্রযুক্তি গ্রহণকারী হলে চলবে না, বরং এমন উদ্ভাবন তৈরি করতে হবে যা সারা বিশ্ব অনুসরণ করবে। এর জন্য সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও একযোগে কাজের সংস্কৃতির ওপর তিনি বিশেষভাবে জোর দেন।

READ MORE.....