Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

গীতাপাঠের দিনে পাল্টা চাল ১ লাখ কন্ঠে কোরান পাঠ : হুমায়ুন

গীতাপাঠের দিনে পাল্টা চাল ১ লাখ কন্ঠে কোরান পাঠ : হুমায়ুন

ব্রিগেডে যখন হাজার হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ চলছে, ঠিক তখনই মুর্শিদাবাদে পাল্টা কোরান পাঠের বিরাট আয়োজন করার ঘোষণা করলেন তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়া ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, বিজেপি যেমন হিন্দুত্বের তাস খেলে ক্ষমতা দখলের জন্য গীতাপাঠ করছে, তেমনই তিনি বিধানসভায় মুসলিম বিধায়কদের সংখ্যা বাড়াতে কোরান পাঠের আয়োজন করবেন।

 

তাঁর এই ঘোষণা বাংলার রাজনীতিতে নতুন করে ধর্মীয় মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। রবিবার ব্রিগেডে ‘পাঁচ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ চলাকালীনই হুমায়ুন কবীর এই ঘোষণা করেন। তিনি স্পষ্টতই জানান, আগামী দিনে মুর্শিদাবাদের কোনো এক জায়গায় প্যান্ডেল করে ১ লক্ষ হাফেজকে দিয়ে কোরান পাঠ করাবেন এবং আগতদের মাংস ভাত দিয়ে আপ্যায়ন করবেন।

 

তাঁর কথায়, আমি মুসলমানদের বেশি বেশি করে বিধানসভায় সিট জেতার জন্য, কোরান পাঠেরও আয়োজন করব। তবে তিনি জানান,গীতা পাঠ হতেই পারে, সনাতন ধর্মের কোনও মানুষ গীতা পাঠ করতেই পারেন। আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। এই ঘোষণার আগে হুমায়ুন বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ঘিরে তৃণমূলের সঙ্গে সংঘাতে জড়ান এবং দল থেকে সাসপেন্ড হন। সাসপেন্ড হওয়ার পরও তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া আক্রমণ করে তাঁকে ‘প্রাক্তন’ করার হুমকি দেন।

 

তিনি হুঁশিয়ারি দেন, বাংলায় ৩৭ শতাংশ সংখ্যালঘু আছে। তাদের সিংহভাগের ভোট পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন মমতা। খুব অহঙ্কার হয়েছে। চূর্ণ করব আমি। আমি ওঁকে প্রাক্তন করবই। এমনকি, সরকারি টাকায় জগন্নাথ মন্দির তৈরি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। হুমায়ুন কবীরের এই পাল্টা ঘোষণার পর বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য তীব্র আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেন, ভারতের মাটিতে গীতাপাঠ হওয়া স্বাভাবিক হলেও, এখন তার জন্য মানুষকে সঙ্ঘবদ্ধ হতে হচ্ছে, যা পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান অবস্থা প্রমাণ করে।

 

বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ‘বিফ বিরিয়ানির আসর’ বসানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এখন বাবরের শাসন চলছে রাজ্যে। অন্যদিকে, দল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর হুমায়ুন কবীর বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার এবং নতুন দল গড়ার ঘোষণা করলেও, রবিবার তিনি সেই সিদ্ধান্ত থেকে ‘ইউটার্ন’ নিলেন। তিনি জানান, ভরতপুরের সাধারণ মানুষের অনুরোধে তিনি এখন পদত্যাগ করছেন না। তাঁর দাবি,ভরতপুরের মানুষের জন্য আমি পদত্যাগ করব না। তবে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, এই সিদ্ধান্তের পিছনে অন্য কোনো কৌশল কাজ করছে কি না। বিজেপি নেতা সজল ঘোষের মতে, মমতাদি বারণ করেছে এখন রিজাইন করার দরকার নেই।

READ MORE.....