Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

গ্রেফতার অভয়ার ‘কাকু’ অর্থাৎ সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়

গ্রেফতার অভয়ার ‘কাকু’ অর্থাৎ সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে আরজিকরের চিকিৎসক পড়ুয়ার মৃত্যুর দু’বছর পরে নতুন করে মামলা দায়ের করে ডাবল অ্যাকশন ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের। বৃহস্পতিবার সকালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশ গ্রেফতার করেছিল পানিহাটি প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ কে। আর রাতেই গ্রেফতার করল অভয়ার ‘কাকু’ অর্থাৎ প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কে। গত ৯ আগস্ট অভয়ার স্মরণসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘দয়া করে নতুন কেস চালু করুন। দ্রুত অ্যকশন নিন। আমার যা করার আছে করব। আমি কমিটেড।’ ১০ আগস্ট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন অভয়ার বাবা। তারপরই ১৩ তারিখ সকালে ওড়িশা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় নির্মল ঘোষকে।

 

লুধিয়ানা থেকে ফিরতেই রাতে প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীবকে গ্রেপ্তার করে খড়দহ থানার পুলিশ। অভয়ার বাড়ির খুব কাছেই বাড়ি এই সঞ্জীবের। গত কয়েকদিন ধরেই বেপাত্তা ছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, গ্রেপ্তারি অবধারিত জেনে নিজেই পুলিশের কাছে ধরা দেন সঞ্জীব। আরজি করের নির্যাতিতার বাড়ি থেকে কিছুটা দূরেই থাকতেন। দু বছর আগে আরজি কর কাণ্ডের পর পানিহাটি শ্মশানে তড়িঘড়ি অভয়ার দেহ সৎকারের ঘটনায় প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের মতো তিনিও অভিযুক্ত। বৃহস্পতিবার সকালে নির্মল ঘোষ গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পানিহাটি পুরসভার সেই প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের অবশ্য দাবি করেছিলেন, পুলিশই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে না। একই সঙ্গে তাঁর দাবি ঘটনার দিন অভয়ার বাবা শেখর দেবনাথই তাঁকে ফোন করে ডেকেছিলেন।

 

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে পুলিশের অ্যাকশনে খুশি অভয়ার মা। সোশাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লিখলেন, ‘পাঁচবছর আগে এমন মুখ্যমন্ত্রী থাকলে আমার মেয়েকে কেউ কাড়তে পারত না।’ পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে অভয়ার মা লেখেন, ‘প্রাক্তন এবং বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে তফাৎ স্পষ্ট। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী সাংবিধানিক নিয়মে থেকে যে কথা দিয়ে গিয়েছিলেন ৯ আগস্ট ট্রাস্টের মঞ্চে, সেই মতো প্রশাসন কাজ শুরু করায় দুইজন অপরাধী আজ গ্রেপ্তার হয়েছে।

 

আরও হবে। বাংলার সব মা ও মেয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত। কারণ বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সবার দায়িত্বশীল দাদা, ভাই।’ সেই পোস্টেই আক্ষেপ করে তিনি লেখেন, ‘পাঁচ বছর আগে এমন মুখ্যমন্ত্রী এমন স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকলে আমার মেয়েকে কেউ আমার থেকে কাড়তে পারত না।’ এনআরএসের নার্সের মৃত্যু নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি। সোশাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘এনআরএসে নার্সের মর্মান্তিক মৃত্যুর যথার্থ তদন্ত হোক। পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর ভাষা নেই। তদন্ত উঠে আসা দোষীদের কঠিন শাস্তি পেতেই হবে। শাস্তিই অপরাধ দমনের একমাত্র রাস্তা, এত কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত যে দোষীরা এই ধরনের পাশবিক দোষ করতে ভয় পায়।’

READ MORE.....