Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

ছট পুজো উপলক্ষে বাঁশের সামগ্রীর পসরা সাজিয়ে বিক্রেতারা

ছট পুজো উপলক্ষে বাঁশের সামগ্রীর পসরা সাজিয়ে বিক্রেতারা

উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলার মতো জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি, লাটাগুড়ি সহ বিভিন্ন বাজারগুলিতে ছট পুজো উপলক্ষে ইতিমধ্যেই ভিড় জমতে শুরু করেছে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বাজারগুলিতে বাঁশের সামগ্রীর পসরা সাজিয়ে অপেক্ষায় আছেন বিক্রেতারা। সোমবার ও মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে চলা ছট পুজোকে কেন্দ্র করে বাঁশের তৈরি কুলো, ডালা, ঝাঁপি, ঝুড়ি ও বাঁশির চাহিদা তুঙ্গে।

একসময় হিন্দিভাষী মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও, বর্তমানে ছট পুজো বাংলার সকলের উৎসবে পরিণত হয়েছে। এই নিয়ম-নিষ্ঠার উৎসব উপলক্ষে জলপাইগুড়ি শহর সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বাঁশের সামগ্রী বিক্রি শুরু হয়েছে। বিশেষত জলপাইগুড়ি শহরের মিউনিসিপ্যাল মার্কেট, শিয়ালপাড়া এবং ময়নাগুড়ির পুরানো বাজার, নতুন বাজার ও হাটখোলায় এখন বাঁশের সামগ্রীর রমরমা।

বিক্রেতারা আনন্দের সঙ্গে পসরা সাজালেও, এ বছর তাঁদের মুখে দুশ্চিন্তার ছাপ স্পষ্ট। কারণ, গত বছরের তুলনায় এ বছর বাঁশের দাম ‘আগুন’ হয়ে উঠেছে। বাঁশের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায়, সেই অনুপাতে ক্রেতাদের কাছ থেকে দাম পাওয়া যাবে কিনা, তা নিয়ে বাঁশের শিল্প কাজের সাথে যুক্ত মানুষজন নিশ্চিত নন।

এক বিক্রেতা জানান, পূজার উপকরণ হিসেবে বাঁশের সামগ্রীর চাহিদা থাকেই। কিন্তু এই বছর বাঁশের দাম অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় আমরা খুবই চিন্তিত। বেশি দামে কিনলে বেশি দামে বিক্রি করতে হবে। এখন হাতে আর বেশি সময় নেই। আশা করছি, আগামীকাল থেকে বাজার জমবে এবং ক্রেতারা মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও সামগ্রী কিনবেন। আজ থেকে তো বিক্রি শুরু হলো।

আগামীকালের বাজারে ক্রেতাদের সাড়া কেমন মেলে এবং দামের সঙ্গে চাহিদা কেমন ভারসাম্য বজায় রাখে— এখন সেই অপেক্ষাতেই দিন গুনছেন বাঁশের সামগ্রী বিক্রেতারা।

READ MORE.....