Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

দেশকে সম্পূর্ণ নকশালমুক্ত করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে কেন্দ্র – অমিত শাহ

দেশকে সম্পূর্ণ নকশালমুক্ত করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে কেন্দ্র – অমিত শাহ

নকশাল দমনে চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি, আর বীরত্বে বাংলার গর্ব—দুটি বার্তাই এক মঞ্চে স্পষ্ট হয়ে উঠল অসমের গুয়াহাটি-র সরুসজাই স্টেডিয়ামে। সিআরপিএফ-এর ৮৭তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে গর্জে উঠলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর স্পষ্ট ঘোষণা—২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যেই দেশকে সম্পূর্ণ নকশালমুক্ত করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে কেন্দ্র।

 

তাঁর দাবি, সিআরপিএফের আত্মবলিদান ও বীরত্বের জোরেই জম্মু-কাশ্মীর থেকে উত্তর-পূর্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে। এবার লক্ষ্য দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় চূড়ান্ত সাফল্য—দেশের প্রশ্নে কোনও আপস নয়। এই কঠোর বার্তার মধ্যেই উঠে এল গর্বের এক মুহূর্ত। স্বাধীনতা দিবস ২০২৬-এ সাহসিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে ;মেডেল ফর গ্যালান্ট্রি(জিএম)’ সম্মানে ভূষিত হলেন সিআরপিএফ-এর সাহসী সিপাহী (জিডি) হিমাংশু হালদার।

 

মুর্শিদাবাদের জলঙ্গির ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন প্রত্যন্ত গ্রাম চোয়াপাড়ার সন্তান হিমাংশু ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে অসীম সাহস, অদম্য মনোবল ও কর্তব্যনিষ্ঠার নজির গড়ে জাতীয় সম্মানের আসনে স্থান করে নিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাত থেকে এই সম্মান গ্রহণের মুহূর্ত শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়—এটা গোটা বাহিনীর, মুর্শিদাবাদের, বাংলার এবং সমগ্র ভারতের গর্ব। সীমান্তের মাটিতে বড় হয়ে ওঠা হিমাংশু ছোটবেলা থেকেই দেশপ্রেমের গল্প শুনে, ইউনিফর্মের প্রতি আকর্ষণ থেকে স্বপ্ন দেখেছিলেন দেশের সেবা করার।

 

স্কুলজীবনে সীমান্তরক্ষী জওয়ানদের সঙ্গে আলাপচারিতা তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছিল। পড়াশোনা শেষ করে সেই স্বপ্ন পূরণ—দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় একের পর এক কঠিন অভিযানে নিজের সাহসিকতার প্রমাণ দেন তিনি। বিপজ্জনক অপারেশনে দৃঢ়তা ও বীরত্বের স্বীকৃতিতেই এলো এই গ্যালান্ট্রি মেডেল। একদিকে দেশের নিরাপত্তায় কড়া বার্তা—নকশাল দমনে চূড়ান্ত লড়াই। অন্যদিকে সীমান্তের মাটির ছেলের বীরত্বের স্বীকৃতি। বার্তা স্পষ্ট—দেশের নিরাপত্তা ও অখণ্ডতার প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ লড়াইই একমাত্র পথ। আজ হিমাংশু হালদার শুধু একটি নাম নয়, তিনি অনুপ্রেরণা। তাঁর সাহসিকতাকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দেশ, গর্বে উজ্জ্বল মুর্শিদাবাদ।

READ MORE.....