ধর্মেন্দ্র কে রান্না করে খাওয়ানোর স্মৃতিটা বড় বেশি করে মনে পড়ে যাচ্ছে পুরুলিয়ার ঝালদা এলাকার ইলু জারগোর বাসিন্দা মুকেশ মাহাতোর। কর্মসূত্রে দিল্লীতে থাকেন মুকেশ। পেশায় রাঁধুনী। দিল্লীতেই এক সাংসদের বাংলোয় রাঁধুনী হিসাবেই কাজ করেন মুকেশ। সাংসদ থাকাকালীন সেই বাংলোর ঠিক পাশের বাংলোতেই আসতেন ধর্মেন্দ্র।
মুকেশ জানাচ্ছেন, ধর্মেন্দ্র বা সানি দেওল। যেই আসুন না কেন রান্নার জন্য তার ডাক পড়াটা নিশ্চিত ছিলো। নানারকম পদ তৈরি করে তাঁদের খাওয়াতেন মুকেশ। তবে বরাবর স্বাস্থ্য সচেতন ধর্মেন্দ্রর পছন্দসই খাবার ছিলো জিরো অয়েলের রান্না। ধর্মেন্দ্র আর নেই। বলিউডের হি’ম্যান না থাকায় মন খারাপ তামাম দেশের। একই ভাবে মন ভারাক্রান্ত মুকেশেরও।














