Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ইডির তলব মানিকের ‘ছায়াসঙ্গী’ বিভাসকে

নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ইডির তলব মানিকের ‘ছায়াসঙ্গী’ বিভাসকে

প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ফের তৎপর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আতশকাঁচের তলায় এবার বীরভূমের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা তথা মানিক ভট্টাচার্যের ‘ঘনিষ্ঠ’ বলে পরিচিত বিভাস অধিকারী। দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে বিভাসকে তলব করল ইডি। নিয়োগ দুর্নীতিতে আর্থিক লেনদেনের শিকড় খুঁজতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান গোয়েন্দারা। এর আগে সিবিআই এই মামলায় বিভাসের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিলেও, ইডির এই পদক্ষেপ বীরভূমের রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

তদন্তকারীদের দাবি, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে বিভাসের সখ্যতা ছিল প্রশ্নাতীত। বেসরকারি বিএড এবং ডিএলএড কলেজ সংগঠনের প্রাক্তন সভাপতি হিসেবে তাঁর প্রভাব ছিল চোখে পড়ার মতো। সিবিআই সূত্রের খবর, নিয়োগের ক্ষেত্রে ঘুরপথে ৩৫০ জনকে চাকরি দেওয়ার নেপথ্যে বিভাসের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তিনি মূলত ‘এজেন্ট’ হিসেবে কাজ করতেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। উত্তর কলকাতার আমহার্স্ট স্ট্রিটে একটি সিল হওয়া ফ্ল্যাটের সঙ্গেও বিভাসের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছে ইডি।

বিভাসের অতীত রেকর্ডও বেশ চাঞ্চল্যকর। এক সময় নয়ডা পুলিশ তাঁকে ‘নকল থানা’ চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার করেছিল। সেই সময় জানা যায়, ব্রিটেন-যোগের টোপ দিয়ে এবং ইন্টারপোল বা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণার জাল বুনেছিলেন তিনি। নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত কুন্তল ঘোষ ও গোপাল দলপতি বারবার বিভাসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কুন্তল প্রকাশ্যে জানতে চেয়েছিলেন, ‘বিভাসকে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না?’

২০২৩ সালের এপ্রিলে বীরভূমের নলহাটিতে বিভাসের বাড়ি ও আশ্রমে ম্যারাথন তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই। বাজেয়াপ্ত হয়েছিল বস্তাভর্তি নথি। ২০২৫-এর অক্টোবরে জমা পড়া চূড়ান্ত চার্জশিটে মানিক ও রত্না বাগচীর পাশাপাশি বিভাসের নামও যুক্ত করে সিবিআই। এবার আর্থিক তছরুপের দিকটি খতিয়ে দেখতে কোমড় বেঁধে নেমেছে ইডি। সিবিআইয়ের চার্জশিটের পর ইডির এই সক্রিয়তা বিভাসের বিপদ আরও বাড়াল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

READ MORE.....