Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

নিষ্পত্তি ‘বিবেচনাধীন’ ২৩ লক্ষ তালিকায় ফিরছেন শশী পাঁজাও

নিষ্পত্তি ‘বিবেচনাধীন’ ২৩ লক্ষ তালিকায় ফিরছেন শশী পাঁজাও

রাজ্যের অতিরিক্ত ভোটার তালিকা ঘিরে জট কাটার ইঙ্গিত ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। ‘বিবেচনাধীন’ নামের নিষ্পত্তিতে বড়সড় সাফল্যের মুখ দেখছে নির্বাচন কমিশন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় দিনে প্রায় দু’লক্ষ করে নামের ফয়সালা করছেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। বুধবার পর্যন্ত মোট ২৩ লক্ষ ৩০ হাজার নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। এই তালিকায় স্বস্তি পেয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজাও। তাঁর আবেদন খতিয়ে দেখে নামের জট মুক্ত করেছে সিইও দফতর। কমিশন সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহেই প্রকাশিত হতে পারে বিশেষ সফ্‌টঅয়্যার নির্ভর সেই বহু প্রতীক্ষিত অতিরিক্ত তালিকা।

 

কমিশন এখন বিশেষ সফ্‌টঅয়্যার তৈরির চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সেটি প্রস্তুত হলেই আদালতের থেকে প্রয়োজনীয় সবুজ সংকেত নেওয়া হবে। কলকাতা হাই কোর্ট নিযুক্ত আধিকারিকরা প্রতি দিন যে পরিমাণ নামের অনুমোদন দিচ্ছেন, তালিকা প্রকাশের দিন পর্যন্ত সেই সমস্ত নামই অতিরিক্ত তালিকায় ঠাঁই পাবে। কমিশনের অন্দরে আশা জাগছে, এই গতি বজায় থাকলে ভোট শুরুর আগেই ৬০ লক্ষের বেশি ‘বিবেচনাধীন’ নামের সবকটিই নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।

 

এদিকে ভোট আবহে কড়া বার্তা দিয়েছেন কমিশন। রাজ্যে আসছেন ৪৭৮ জন পর্যবেক্ষক। প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক থাকছেন। শুধু বুথের ভিতর নয়, সংলগ্ন এলাকাতেও ভোটারকে ‘হুমকি, ভয় দেখানোর মতো ঘটনা ঘটলে পুনর্নির্বাচন হতে পারে’ বলে সাফ জানিয়েছে কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে ছাপ্পা বা বুথ দখলের মতো অশান্তি দমনে শূন্য সহনশীলতা নীতি নেওয়া হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, যাঁদের নাম শেষ পর্যন্ত তালিকা থেকে বাদ পড়বে, তাঁদের জন্য বিচারের পথ খোলা রাখা হয়েছে। তাঁরা চাইলে বিচার বিভাগের বিশেষ ট্রাইবুনালে আবেদন করতে পারবেন।

 

গত ১৫ মার্চ ঘোষিত নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ২৯৪টি আসনে ভোট হবে। শেষ লপ্তে অতিরিক্ত তালিকা হাতে পেলে ভোটারদের অনিশ্চয়তা অনেকটাই কাটবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারির তালিকায় যোগ্য ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৬০৯। বাকি ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জনের ভাগ্য এখন ঝুলে রয়েছে কমিশনের চূড়ান্ত গ্রিন সিগন্যালের ওপর। ৪ মে নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশের আগেই এই বিপুল সংখ্যক ভোটারের পরিচিতি নিশ্চিত করতে মরিয়া প্রশাসন।

READ MORE.....