ডিভিসির ছাড়া জলের কারণে হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকাকে বন্যার কবল থেকে বাঁচাতে দু’দশক আগে তৈরি হয়েছিল দামোদর ও রূপনারায়ণের সংযোগকারী শর্টকাট চ্যানেল। দীর্ঘকাল জলপ্রবাহের ফলে সেই চ্যানেলে পলি জমার কারণে নাব্যতা কমে গিয়েছিল।
এবার সেই শর্টকাট চ্যানেলের গভীরতা বাড়ানোর জন্য পলি সরানোর কাজ শুরু করল রাজ্য সেচ দফতর। আমতা থানার থলিয়ার দামোদর থেকে শুরু করে জয়পুর হয়ে বাগনান থানার বাকসি পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ক্যানেলটির ভূমিকা এলাকার সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে অপরিসীম।
জানা গিয়েছে, প্রায় দু’যুগ আগে দামোদরের জল আমতা ২ নম্বর ব্লকের খড়িয়াপ, নাগরিক, তাজপুর, কুশবেড়িয়া-সহ একাধিক গ্রাম এবং বিস্তীর্ণ চাষের জমিতে প্রবেশ করত। সেই জল রূপনারায়ণ নদে মিশতে সময় লেগে যেত বেশ কয়েক দিন। এই পরিস্থিতি সামাল দিতেই সেচ দফতর দ্রুত জল নিষ্কাশনের জন্য এই শর্টকাট চ্যানেলটি তৈরি করে। এই চ্যানেলের মাঝে রামপুর খালের অস্তিত্ব বজায় রাখতে সাইফন ব্যবস্থা ব্যবহার করেছিলেন প্রযুক্তিবিদরা।
দীর্ঘদিন ধরে জল বয়ে যাওয়ার কারণে চ্যানেলের বিভিন্ন অংশে পলি জমে নাব্যতা কমে গিয়েছিল। তাই পলি সরানোর মাধ্যমে চ্যানেলের গভীরতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সেচ দফতর লিজ দেয়। লিজ হোল্ডাররা সরকারের নির্দেশনামা মেনেই পলি সরানোর কাজ করছেন। আমতার বিধায়ক সুকান্ত পাল জানান, সেচ দফতরের এই উদ্যোগের ফলে একদিকে যেমন বন্যা নিয়ন্ত্রণে সুবিধা হবে, তেমনই সেচের কাজেও এলাকার মানুষজন উপকৃত হবেন। প্রতীকী ছবি।














