Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket
Latest News
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হলো কেন?’ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে এই প্রশ্নের জবাবদিহি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্যের রিপোর্ট তলব করেছেন৷ আগামী ১৩ অক্টোবর ফের এই মামলার শুনানি। চলতি বছরের ৪ মে বিধানসভার নির্বাচনের ফল বেরোনোর প্রায় পরপর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে রাজ্য সরকার। এরপর প্রথমে সোনারপুরের কামরাবাদে কার্যত গণপিটুনির শিকার হন অভিষেক। পরেও একাধিকবার রাজনৈতিক বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন তিনি। তারপরেই নিজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। আজ সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার এত তাড়া কী ছিল ? ১০ মে রাজ্যে পালাবদলের পরই কেন প্রত্যাহার করা হল ? ২৯ মে প্রশাসন নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিভিউ মিটিং-এর পর কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘এক্স’ ক্যাটেগরি নিরাপত্তা হলেই চলবে ? পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কাছে নিরাপত্তা দেওয়ার যে আবেদন জানিয়েছিলেন, তাতে কী পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন?’ রাজ্যের তরফে আদালতের প্রশ্নে জবাবদিহি করতে তিন সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়েছিল ৷ কিন্তু বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবেই নির্দেশ দেবে আদালত৷ রাজ্য দায়িত্ব নিলে এক বছর পরে শুনানি হলেও সমস্যা নেই৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’ অভিষেকের আইনজীবীরা এদিন আদালতে জানান, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর ১০ মে থেকে নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়েছে৷ ৩০ মে রাজপুর সোনারপুর পুর এলাকায় গিয়েছিলেন তিনি৷ সেখানে দুষ্কৃতীরা ঘিরে ধরে৷ শুধু দু’জন পিএসও নিয়ে সেখানে যেতে হয়েছিল৷ প্রায় ৫০০ জন লাঠি, ডিম, পাথর নিয়ে হাজির ছিল কামরাবাদ মোড়ে ৷ সেখান থেকে হেলমেট পরে কোনও রকমে মোটরসাইকেলে চড়ে ওখান থেকে বেরোতে হয়। এই ধরনের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার আগে একটা মূল্যায়ন করতে হয়৷ ২০১৬ সাল থেকে এই জেড প্লাস ক্যাটেগরি নিরাপত্তা ছিল৷ ৩০ মের ঘটনা ছাড়া আরও তিনটি ঘটনা ঘটেছে৷ ১৯ জুন এয়ারপোর্টে এক ব্যক্তি রিভলভার নিয়ে গিয়েছিলেন৷ ১৮ ও ১৯ জুলাই যখন ডায়মন্ড হারবারে পার্টি অফিস ভাঙা হচ্ছিল সেই সময় আমতলায় গিয়ে আক্রান্ত হন। ৩ সেপ্টেম্বর ক্যামাক স্ট্রিটে চতুর্থ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীরা আরও জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও সাধারণ ব্যক্তি নন৷ তিনি বেশ কয়েকবারের সাংসদ৷ কেন তাঁর নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হল? বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, আপনাদের কাছে নিরাপত্তার আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক৷ সে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? রাজ্যের আইনজীবী জানান, ১০ মে অভিষেকের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়৷ ২৯ মে রাজ্য প্রশাসন ফের মূল্যায়ন করে তাঁর নিরাপত্তা এক্স ক্যাটাগরি করে৷ সমস্ত জেলা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রশাসন মূল্যায়ন করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ এই সওয়াল-জবাবের পর অভিষেকের নিরাপত্তা বিষয়ে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, সে বিষয়ে আদালত জানতে চায় বলে রিপোর্ট চান বিচারপতি৷ রাজ্যের আইনজীবী বলেন, আপাতত তিন সপ্তাহ সময় দেওয়া হোক৷ বিচারপতি তখন বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবে নির্দেশ দেবে আদালত৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’ অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার কেন? রাজ্য সরকারের কাছে জবাবদিহি তলব হাইকোর্টের হুমায়ুনকে আইনের পাঠ শেখালেন শুভেন্দু লক্ষ্মীরতনের কোচিংয়ে ইরানি কাপ অবশিষ্ট ভারতের রাশিয়ায় প্লেগের আতঙ্ক, কোয়ারেন্টাইনে ২০০ চিকিৎসক ইন্ডি জোটে বিজয়ের দল, শক্তি বাড়ল বিরোধী শিবিরে
Latest News
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হলো কেন?’ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে এই প্রশ্নের জবাবদিহি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্যের রিপোর্ট তলব করেছেন৷ আগামী ১৩ অক্টোবর ফের এই মামলার শুনানি। চলতি বছরের ৪ মে বিধানসভার নির্বাচনের ফল বেরোনোর প্রায় পরপর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে রাজ্য সরকার। এরপর প্রথমে সোনারপুরের কামরাবাদে কার্যত গণপিটুনির শিকার হন অভিষেক। পরেও একাধিকবার রাজনৈতিক বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন তিনি। তারপরেই নিজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। আজ সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার এত তাড়া কী ছিল ? ১০ মে রাজ্যে পালাবদলের পরই কেন প্রত্যাহার করা হল ? ২৯ মে প্রশাসন নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিভিউ মিটিং-এর পর কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘এক্স’ ক্যাটেগরি নিরাপত্তা হলেই চলবে ? পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কাছে নিরাপত্তা দেওয়ার যে আবেদন জানিয়েছিলেন, তাতে কী পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন?’ রাজ্যের তরফে আদালতের প্রশ্নে জবাবদিহি করতে তিন সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়েছিল ৷ কিন্তু বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবেই নির্দেশ দেবে আদালত৷ রাজ্য দায়িত্ব নিলে এক বছর পরে শুনানি হলেও সমস্যা নেই৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’ অভিষেকের আইনজীবীরা এদিন আদালতে জানান, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর ১০ মে থেকে নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়েছে৷ ৩০ মে রাজপুর সোনারপুর পুর এলাকায় গিয়েছিলেন তিনি৷ সেখানে দুষ্কৃতীরা ঘিরে ধরে৷ শুধু দু’জন পিএসও নিয়ে সেখানে যেতে হয়েছিল৷ প্রায় ৫০০ জন লাঠি, ডিম, পাথর নিয়ে হাজির ছিল কামরাবাদ মোড়ে ৷ সেখান থেকে হেলমেট পরে কোনও রকমে মোটরসাইকেলে চড়ে ওখান থেকে বেরোতে হয়। এই ধরনের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার আগে একটা মূল্যায়ন করতে হয়৷ ২০১৬ সাল থেকে এই জেড প্লাস ক্যাটেগরি নিরাপত্তা ছিল৷ ৩০ মের ঘটনা ছাড়া আরও তিনটি ঘটনা ঘটেছে৷ ১৯ জুন এয়ারপোর্টে এক ব্যক্তি রিভলভার নিয়ে গিয়েছিলেন৷ ১৮ ও ১৯ জুলাই যখন ডায়মন্ড হারবারে পার্টি অফিস ভাঙা হচ্ছিল সেই সময় আমতলায় গিয়ে আক্রান্ত হন। ৩ সেপ্টেম্বর ক্যামাক স্ট্রিটে চতুর্থ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীরা আরও জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও সাধারণ ব্যক্তি নন৷ তিনি বেশ কয়েকবারের সাংসদ৷ কেন তাঁর নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হল? বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, আপনাদের কাছে নিরাপত্তার আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক৷ সে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? রাজ্যের আইনজীবী জানান, ১০ মে অভিষেকের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়৷ ২৯ মে রাজ্য প্রশাসন ফের মূল্যায়ন করে তাঁর নিরাপত্তা এক্স ক্যাটাগরি করে৷ সমস্ত জেলা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রশাসন মূল্যায়ন করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ এই সওয়াল-জবাবের পর অভিষেকের নিরাপত্তা বিষয়ে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, সে বিষয়ে আদালত জানতে চায় বলে রিপোর্ট চান বিচারপতি৷ রাজ্যের আইনজীবী বলেন, আপাতত তিন সপ্তাহ সময় দেওয়া হোক৷ বিচারপতি তখন বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবে নির্দেশ দেবে আদালত৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’ অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার কেন? রাজ্য সরকারের কাছে জবাবদিহি তলব হাইকোর্টের হুমায়ুনকে আইনের পাঠ শেখালেন শুভেন্দু লক্ষ্মীরতনের কোচিংয়ে ইরানি কাপ অবশিষ্ট ভারতের রাশিয়ায় প্লেগের আতঙ্ক, কোয়ারেন্টাইনে ২০০ চিকিৎসক ইন্ডি জোটে বিজয়ের দল, শক্তি বাড়ল বিরোধী শিবিরে

বাজেটে স্বাস্থ্যের জয়গান ডেপুটি মেয়রের, ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে সফল পুরসভা

বাজেটে স্বাস্থ্যের জয়গান ডেপুটি মেয়রের, ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে সফল পুরসভা

তিলোত্তমার স্বাস্থ্য পরিষেবায় নতুন দিগন্ত। সোমবার ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেট অধিবেশনে কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ দাবি করলেন, সঠিক পরিকল্পনা ও প্রযুক্তির মেলবন্ধনে শহরে ম্যালেরিয়া এবং ডেঙ্গির দাপট এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে।

 

বিরোধীদের খোঁচা সামলে ঘাটতি বাজেট নিয়ে তাঁর সাফ কথা, ‘ঘাটতি বাজেট নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। ঘাটতি বাজেট উন্নয়নশীল দেশে হয়ে থাকে।’ পুরসভার অন্দরে এদিন স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন অতীনবাবু। তিনি জানান, সুস্থ ও সমৃদ্ধ শহর গড়তে স্বাস্থ্য বিভাগ বদ্ধপরিকর। বর্তমানে কলকাতার প্রতি ১.৫ কিলোমিটার অন্তর গড়ে তোলা হয়েছে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র। ১৩১টি এই ধরণের কেন্দ্র শহরের স্বাস্থ্য পরিষেবাকে অন্য রাজ্যের তুলনায় কয়েক কদম এগিয়ে দিয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রের আওতায় রয়েছেন প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়া মোকাবিলায় গত ১৫ বছরের কঠোর পরিশ্রমের সুফল মিলছে বলে তাঁর দাবি।

 

ডেপুটি মেয়রের কথায়, ‘র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গি অনেকটাই কমাতে পেরেছি।’খাদ্য সুরক্ষা ও পানীয় জলের গুণমান বজায় রাখতেও কড়া নজরদারি চালাচ্ছে পুরসভা। ইতিমধ্যেই ১৩,৪৭২ জনকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। শহরের পাশাপাশি জেলাতেও ফুড সেফটি অফিসাররা তৎপর রয়েছেন। ৪,১৫৮টি জায়গায় জলের মান পরীক্ষা করে নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি মেয়র পারিষদ তারক সিং শহরের নিকাশি ও পরিকাঠামো নিয়ে আশার বাণী শোনান।

 

তিনি জানান, প্রায় ১৪ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৬টি জলাশয় তৈরি হচ্ছে। তাঁর আশ্বাস, ‘কলকাতার আর কোনও জায়গায় জল জমবে না।’ এমনকি সিরিটি শ্মশানের আধুনিকীকরণকে দেশের মধ্যে সেরা বলে দাবি করেন তিনি।তবে বাজেট অধিবেশন কেবল উন্নয়নের কথাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তৃণমূল কাউন্সিলর মহেশ শর্মার একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিজেপি কাউন্সিলর মীনাদেবী পুরোহিত, সজল ঘোষ ও বিজয় ওঝাদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে আসরে নামতে হয় দেবাশিস কুমারকে। শেষমেশ চেয়ারপার্সন মালা রায়ের হস্তক্ষেপে শান্ত হয় কক্ষ।

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হলো কেন?’ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে এই প্রশ্নের জবাবদিহি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্যের রিপোর্ট তলব করেছেন৷ আগামী ১৩ অক্টোবর ফের এই মামলার শুনানি। চলতি বছরের ৪ মে বিধানসভার নির্বাচনের ফল বেরোনোর প্রায় পরপর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে রাজ্য সরকার। এরপর প্রথমে সোনারপুরের কামরাবাদে কার্যত গণপিটুনির শিকার হন অভিষেক। পরেও একাধিকবার রাজনৈতিক বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন তিনি। তারপরেই নিজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। আজ সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার এত তাড়া কী ছিল ? ১০ মে রাজ্যে পালাবদলের পরই কেন প্রত্যাহার করা হল ? ২৯ মে প্রশাসন নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিভিউ মিটিং-এর পর কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘এক্স’ ক্যাটেগরি নিরাপত্তা হলেই চলবে ? পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কাছে নিরাপত্তা দেওয়ার যে আবেদন জানিয়েছিলেন, তাতে কী পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন?’ রাজ্যের তরফে আদালতের প্রশ্নে জবাবদিহি করতে তিন সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়েছিল ৷ কিন্তু বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবেই নির্দেশ দেবে আদালত৷ রাজ্য দায়িত্ব নিলে এক বছর পরে শুনানি হলেও সমস্যা নেই৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’ অভিষেকের আইনজীবীরা এদিন আদালতে জানান, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর ১০ মে থেকে নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়েছে৷ ৩০ মে রাজপুর সোনারপুর পুর এলাকায় গিয়েছিলেন তিনি৷ সেখানে দুষ্কৃতীরা ঘিরে ধরে৷ শুধু দু’জন পিএসও নিয়ে সেখানে যেতে হয়েছিল৷ প্রায় ৫০০ জন লাঠি, ডিম, পাথর নিয়ে হাজির ছিল কামরাবাদ মোড়ে ৷ সেখান থেকে হেলমেট পরে কোনও রকমে মোটরসাইকেলে চড়ে ওখান থেকে বেরোতে হয়। এই ধরনের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার আগে একটা মূল্যায়ন করতে হয়৷ ২০১৬ সাল থেকে এই জেড প্লাস ক্যাটেগরি নিরাপত্তা ছিল৷ ৩০ মের ঘটনা ছাড়া আরও তিনটি ঘটনা ঘটেছে৷ ১৯ জুন এয়ারপোর্টে এক ব্যক্তি রিভলভার নিয়ে গিয়েছিলেন৷ ১৮ ও ১৯ জুলাই যখন ডায়মন্ড হারবারে পার্টি অফিস ভাঙা হচ্ছিল সেই সময় আমতলায় গিয়ে আক্রান্ত হন। ৩ সেপ্টেম্বর ক্যামাক স্ট্রিটে চতুর্থ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীরা আরও জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও সাধারণ ব্যক্তি নন৷ তিনি বেশ কয়েকবারের সাংসদ৷ কেন তাঁর নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হল? বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, আপনাদের কাছে নিরাপত্তার আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক৷ সে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? রাজ্যের আইনজীবী জানান, ১০ মে অভিষেকের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়৷ ২৯ মে রাজ্য প্রশাসন ফের মূল্যায়ন করে তাঁর নিরাপত্তা এক্স ক্যাটাগরি করে৷ সমস্ত জেলা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রশাসন মূল্যায়ন করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ এই সওয়াল-জবাবের পর অভিষেকের নিরাপত্তা বিষয়ে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, সে বিষয়ে আদালত জানতে চায় বলে রিপোর্ট চান বিচারপতি৷ রাজ্যের আইনজীবী বলেন, আপাতত তিন সপ্তাহ সময় দেওয়া হোক৷ বিচারপতি তখন বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবে নির্দেশ দেবে আদালত৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’

READ MORE.....

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হলো কেন?’ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে এই প্রশ্নের জবাবদিহি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্যের রিপোর্ট তলব করেছেন৷ আগামী ১৩ অক্টোবর ফের এই মামলার শুনানি। চলতি বছরের ৪ মে বিধানসভার নির্বাচনের ফল বেরোনোর প্রায় পরপর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে রাজ্য সরকার। এরপর প্রথমে সোনারপুরের কামরাবাদে কার্যত গণপিটুনির শিকার হন অভিষেক। পরেও একাধিকবার রাজনৈতিক বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন তিনি। তারপরেই নিজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। আজ সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার এত তাড়া কী ছিল ? ১০ মে রাজ্যে পালাবদলের পরই কেন প্রত্যাহার করা হল ? ২৯ মে প্রশাসন নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিভিউ মিটিং-এর পর কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘এক্স’ ক্যাটেগরি নিরাপত্তা হলেই চলবে ? পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কাছে নিরাপত্তা দেওয়ার যে আবেদন জানিয়েছিলেন, তাতে কী পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন?’ রাজ্যের তরফে আদালতের প্রশ্নে জবাবদিহি করতে তিন সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়েছিল ৷ কিন্তু বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবেই নির্দেশ দেবে আদালত৷ রাজ্য দায়িত্ব নিলে এক বছর পরে শুনানি হলেও সমস্যা নেই৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’ অভিষেকের আইনজীবীরা এদিন আদালতে জানান, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর ১০ মে থেকে নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়েছে৷ ৩০ মে রাজপুর সোনারপুর পুর এলাকায় গিয়েছিলেন তিনি৷ সেখানে দুষ্কৃতীরা ঘিরে ধরে৷ শুধু দু’জন পিএসও নিয়ে সেখানে যেতে হয়েছিল৷ প্রায় ৫০০ জন লাঠি, ডিম, পাথর নিয়ে হাজির ছিল কামরাবাদ মোড়ে ৷ সেখান থেকে হেলমেট পরে কোনও রকমে মোটরসাইকেলে চড়ে ওখান থেকে বেরোতে হয়। এই ধরনের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার আগে একটা মূল্যায়ন করতে হয়৷ ২০১৬ সাল থেকে এই জেড প্লাস ক্যাটেগরি নিরাপত্তা ছিল৷ ৩০ মের ঘটনা ছাড়া আরও তিনটি ঘটনা ঘটেছে৷ ১৯ জুন এয়ারপোর্টে এক ব্যক্তি রিভলভার নিয়ে গিয়েছিলেন৷ ১৮ ও ১৯ জুলাই যখন ডায়মন্ড হারবারে পার্টি অফিস ভাঙা হচ্ছিল সেই সময় আমতলায় গিয়ে আক্রান্ত হন। ৩ সেপ্টেম্বর ক্যামাক স্ট্রিটে চতুর্থ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীরা আরও জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও সাধারণ ব্যক্তি নন৷ তিনি বেশ কয়েকবারের সাংসদ৷ কেন তাঁর নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হল? বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, আপনাদের কাছে নিরাপত্তার আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক৷ সে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? রাজ্যের আইনজীবী জানান, ১০ মে অভিষেকের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়৷ ২৯ মে রাজ্য প্রশাসন ফের মূল্যায়ন করে তাঁর নিরাপত্তা এক্স ক্যাটাগরি করে৷ সমস্ত জেলা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রশাসন মূল্যায়ন করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ এই সওয়াল-জবাবের পর অভিষেকের নিরাপত্তা বিষয়ে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, সে বিষয়ে আদালত জানতে চায় বলে রিপোর্ট চান বিচারপতি৷ রাজ্যের আইনজীবী বলেন, আপাতত তিন সপ্তাহ সময় দেওয়া হোক৷ বিচারপতি তখন বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবে নির্দেশ দেবে আদালত৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’