Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

বিজেপিকে বয়কটের পাল্টা অভিষেককে ‘সামাজিক’ হওয়ার পরামর্শ দিল রুদ্রনীল

বিজেপিকে বয়কটের পাল্টা অভিষেককে ‘সামাজিক’ হওয়ার পরামর্শ দিল রুদ্রনীল

ভোটকুশলীদের ছক আর টিভির পর্দায় রাজনীতি হয় না, সমাজকে চিনতে হলে আগে ছাড়তে হবে বোমা-বন্দুকের কারবার। ‘সামাজিক বয়কট’ ইস্যুতে এভাবেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেনজির আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে বিজেপিকে বয়কট করার যে ডাক অভিষেক দিয়েছিলেন, বোলপুরের মাটি থেকে তার পাল্টা জবাব দিলেন রুদ্রনীল। তাঁর সাফ কথা, সমাজকে চিনতে হলে অভিষেককে আগে তোলাবাজির রাজনীতি ছাড়তে হবে।

বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বীরভূমে বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসেছিলেন অভিনেতা। সেখানেই অভিষেকের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শুধুমাত্র টিভি, মোবাইলে আর পিসির মুখের কথায় ও লোকাল ক্রিমিনালদের কথায় রাজনীতি করতে চান। তিনি (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) নিজের টেনশনে মত্ত হয়ে আছেন। তাঁকে বলব সুস্থ রাজনীতি শিখুন, লড়াই করার রাজনীতি শিখুন। বোম, বন্দুক, গুলি, টাকা-পয়সার রাজনীতি ছেড়ে, তোলাবাজির রাজনীতি ছেড়ে সমাজকে চিনুন।’ রুদ্রনীলের দাবি, বাংলার মানুষ এখন এই যন্ত্রণাময় রাজনীতি থেকে মুক্তি চাইছে।

তৃণমূলের অন্দরের ‘মাছ-রাজনীতি’ নিয়েও এদিন বোলপুরে তীব্র বিদ্রুপ করেন রুদ্রনীল। কাজল শেখ ও চন্দ্রনাথ সিংহের মধ্যে উপহার আদান-প্রদানকে কটাক্ষ করে তিনি জানান, একদিকে অনুব্রত মণ্ডল বোমা বাঁধার নির্দেশ দিচ্ছেন, অন্যদিকে তাঁরই দলের নেতারা একে অপরের বাড়িতে মাছ-ফল পাঠিয়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঢাকতে চাইছেন। রুদ্রনীলের কথায়, ‘এই যে বোলপুরে আছি, এখানে অদ্ভুত রকম রাজনীতি শুরু হয়ে গিয়েছে। একদিকে অনুব্রত মণ্ডল, অন্যদিকে কাজল শেখ ও চন্দ্রনাথ সিংহ। এ ওর বাড়িতে ইফতারের ফল পাঠাচ্ছে, ও ওর বাড়িতে মাছ পাঠাচ্ছে কেষ্ট মণ্ডলের বিরুদ্ধে। আর কেষ্ট মণ্ডল অন্য লোকেদের বলছে বোমা বাঁধুন। আর তাতে আহত হচ্ছে অন্য মানুষ।’

রাজ্যের বেকারত্ব ও পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যু তুলে ধরে রুদ্রনীল মনে করিয়ে দেন যে, কেবল ভাতায় মানুষের পেট ভরে না। তিনি প্রশ্ন তোলেন, মানুষ যদি সরকারি সুবিধায় খুশিই হতো, তবে কাজের খোঁজে কেন ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে? শূন্যপদে নিয়োগ না হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের জনজীবন স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর মতে, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সব মানুষই আজ নিজেদের অধিকার থেকে বঞ্চিত। সব মিলিয়ে পরিবর্তন যাত্রার মঞ্চ থেকে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে বিঁধে বীরভূমের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিলেন রুদ্রনীল।

READ MORE.....