ভোটারদের হাতেই ভোটার স্লিপ দিতে হবে বিএলও-দের, এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুসারে প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছেন বিএলও-রা। এখন প্রশ্ন, যদি কেউ বাড়িতে না থাকে সে ক্ষেত্রে কী হবে? নির্বাচন কমিশন সেটাও বিএলও-দের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছে। আপনি বাড়িতে না থাকলে কী হবে? কেউ যাতে অন্যের নাম ভাঙিয়ে ভোট দিতে না পারে তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন— খবর সিইও দফতর সূত্রে।
ভোটার স্লিপ বিলি ঘিরেও সতর্ক নির্বাচন কমিশন। বাড়ি বাড়ি ভোটারদের হাতেই ভোটার স্লিপ বিলির নির্দেশ বিএলও-দের, এমনটাই খবর সূত্রের। স্লিপ বিলির সময় কোনো ভোটার যদি বাড়িতে না থাকেন, তিনি ভোট দিতে এলে কেন বাড়িতে ছিলেন না, তা জানতে চাইবেন প্রিসাইডিং অফিসার।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভোটার তালিকায় নাম ও ছবি দেখে ভোটদানে অনুমতি দেওয়া হবে। কেউ যাতে অন্যের নাম ভাঙিয়ে ভোট দিতে না পারে তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন। অন্যদিকে, রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে এবার নির্বাচন কমিশনের ‘লক্ষ্মণরেখা’। বাংলার বিধানসভা ভোটে অভূতপূর্ব পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। সাদা চক দিয়ে বুথের ১০০ মিটার বৃত্তাকারে ঘিরে দেওয়া হবে। ‘লক্ষ্মণরেখার মধ্যে ভোটার ছাড়া আর কারও প্রবেশে অনুমতি নয়। লক্ষ্মণরেখার ওপারে থাকবেন বিএলও এবং এক সহকারী। বুথের বাইরে ২টি টেবিলে ভোটারের নথি যাচাই হবে।’
এদিকে, রাজ্যের সব ওসি ও আইসি-দের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক কমিশনের। হাজির থাকবেন সিপি ও এসপি-রাও, থাকবেন পুলিশ অবজার্ভাররা। ‘ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে কার কী দায়িত্ব, কোথায় কী ধরনের ব্যবস্থা নিতে হবে?’ গণ্ডগোল হলে কী করণীয় তা জানাতেই এই বৈঠকের আয়োজন। এবারের ভোটে মাইক্রো অবজার্ভারদের সঙ্গে থাকছে বডি ক্যামেরা। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের সঙ্গেও থাকবে বডি ক্যামেরা। বিধানসভা এলাকার সমস্ত সরকারি সিসি ক্যামেরা থেকে ফুটেজ পেতে ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে কমিশন।
এই ভোটার ইনফরমেশন স্লিপে ভোটারের নাম-ঠিকানা, ভোটকেন্দ্রের অবস্থান, ভোটের তারিখ ও সময়সহ একটি মানচিত্র দেওয়া রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে ভোটের দিন করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ের তালিকা। দ্রুত তথ্য যাচাইয়ের জন্য এতে একটি কিউআর কোডও সংযুক্ত করা হয়েছে, যা ভোটারদের সুবিধা বাড়াবে এবং ভোটকেন্দ্রে ভিড় কমাতে সাহায্য করবে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটারদের সুবিধার জন্য ভিআইএফ আরও সহজপাঠ্য করা হয়েছে। বিশেষ করে পার্ট নম্বর ও সিরিয়াল নম্বর স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে ভোটাররা সহজে নিজেদের শনাক্ত করতে পারেন।














