Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

মেঘালয়ের ভোটে মুখোমুখি জোড়াফুল-পদ্ম

মেঘালয়ের ভোটে মুখোমুখি জোড়াফুল-পদ্ম

পাহাড়ের রাজনীতিতে সমীকরণ বদলে দিতে কোমর বেঁধে নামল তৃণমূল কংগ্রেস। মেঘালয়ের গারো পাহাড় স্বতন্ত্র জেলা পরিষদ (জিএইচএডিসি) নির্বাচনে এবার সরাসরি রাজ্যের শাসক দল এনপিপি এবং বিজেপির জোটকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। আসন্ন ১০ এপ্রিলের এই হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের জন্য ইতিমধ্যেই ১৪টি আসনে প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল। বিশেষত, মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমার খাসতালুক দক্ষিণ তুরা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত তুরা আসনেও প্রার্থী দিয়েছে তারা, যা এই লড়াইকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

 

গত কয়েক বছর ধরেই উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে মাটি শক্ত করার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে জোড়াফুল শিবির। বর্তমানে মেঘালয় বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদটি তৃণমূলের দখলেই রয়েছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা বিরোধী শিবিরের প্রধান মুখ হিসেবে শাসক জোটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এবার জেলা পরিষদের ভোটেও সেই লড়াইয়ের ঝাঁজ বজায় রাখতে চাইছে দল। মোট ৩০টি আসনের মধ্যে ২৯টিতে ভোট হবে, যার একটি সদস্য মনোনীত হন। তৃণমূলের লক্ষ্য মূলত গারো পাহাড়ের প্রভাবশালী আসনগুলি কবজ করা।

 

বর্তমানে জিএইচএডিসি-র রাশ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমার দল ন্যাশনাল পিপলস পার্টি বা এনপিপি-র হাতে। উত্তর-পূর্বে বিজেপির অন্যতম নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হিসেবে পরিচিত এই দল। যদিও আঞ্চলিক রাজনীতির মারপ্যাঁচে তাদের সমীকরণ অত্যন্ত জটিল। ২০২১ সালের গত নির্বাচনে এই জেলা পরিষদে কংগ্রেস একক বৃহত্তম দল হিসেবে ১২টি আসন জিতেছিল। সাংমার দল পেয়েছিল ১১টি এবং বিজেপি জিতেছিল ২টি আসনে। কিন্তু বর্তমানে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গিয়েছে। ২০২৩-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল এবং কংগ্রেস উভয়েই ৫টি করে আসন পেয়েছিল। পরবর্তীতে কংগ্রেসের চার বিধায়ক শাসক জোটে নাম লেখানোয় বিরোধী দলনেতার মুকুট ওঠে মুকুল সাংমার মাথায়।

 

তৃণমূলের এই ১৪ প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত এনপিপি ও বিজেপি জোটের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। তুরা আসনে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর গড়ে প্রার্থী দিয়ে তৃণমূল বুঝিয়ে দিয়েছে যে তারা কোনোমতেই ফাঁকা মাঠ ছাড়তে রাজি নয়। কংগ্রেস এবং এনপিপি ইতিমধ্যেই তাদের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। মেঘালয়ের পাহাড় এখন সরগরম নির্বাচনী প্রচারে। মুকুল সাংমার ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এবং তৃণমূলের সাংগঠনিক সক্রিয়তা এই নির্বাচনে নির্ণায়ক ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আঞ্চলিক রাজনীতির এই অ্যাসিড টেস্টে শেষ পর্যন্ত কার পাল্লা ভারী থাকে, এখন সেটাই দেখার। ফাইল ফটো ।

READ MORE.....