বুধবার মুখ্যমন্ত্রী সমাজমাধ্যমে সেই খবর জানিয়ে লিখেছেন, ‘‘আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্কুল শিক্ষাদপ্তরের আধুনিক পোর্টাল ‘বাংলার শিক্ষা ৩.০’ গভর্ন্যান্স নাও-এর ষষ্ঠ ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন সামিট ও অ্যাওয়ার্ডস-এ পুরস্কৃত হয়েছে।’’ ‘এক্সিলেন্স ইন ই-লার্নিং, অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড ডিজিটাল এডুকেশন প্ল্যাটফর্ম’ বিভাগে প্রকল্পটি এই সম্মান পেয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবারই রাজ্যের পরিবহণ ক্ষেত্রের উদ্যোগ ‘অনুমোদন পোর্টাল’ পেয়েছে জাতীয় স্তরের স্বীকৃতি। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফের জাতীয় স্তরের পুরস্কার পেল বাংলা। এই স্বীকৃতি আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছে বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থার প্রকৃত চিত্র।
সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাজে্যর শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। তিনি চেয়েছিলেন এমন একটি পোর্টাল তৈরি করা হোক, যাতে সেখানে রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের পড়ুয়াদের তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে নথিভুক্ত করে রাখা থাকে। সেই উদ্দেশে্যই তৈরি করা হয় ‘বাংলারশিক্ষা ৩.০’। রাজ্যের স্কুল শিক্ষাদপ্তরের এই পোর্টালটি ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিদ্যালয় সংক্রান্ত সমস্ত তথ্যের এক বিশাল ভাণ্ডার। যে কোনও তথ্য জানতে আর ফাইল ঘাঁটা নয়, স্রেফ এক ক্লিকেই জেনে নেওয়া যাবে তথ্য। ডিজিটাইজেশনের এই পদক্ষে দেশে যে নজির গড়ে তুলেছে, তা দেখিয়ে দিয়েছে জাতীয় স্তরের এই সম্মান।














