দুর্গাপূজা উৎসবকে সামনে রেখে মহেশতলার নুঙ্গীতে বাজি তৈরির কাজ জোর কদমে চলছে। কালি পুজোর মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকায় সকল ব্যবসায়ী পরিবেশ বান্ধব বাজি তৈরি করতে ব্যস্ত। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা পৌরসভার ৩০ নম্বর ওয়ার্ড এবং বজবজ ১ নম্বর ব্লকের চিংড়িপতা অঞ্চলের মানুষজন এই বাজি শিল্পের সাথে যুক্ত। কেউ বাজি তৈরি করছেন, আবার কেউ বিক্রি করছেন।
তবে এই শিল্পের সামনে বড় সমস্যা হলো অনুমতিপত্র বা লাইসেন্সের অভাব। প্রদেশ আতশবাজি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুখদেব নস্কর জানান, লাইসেন্স পাওয়ার পরিমাণ আমরা পাইনি। এর কারণে ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তের ক্রেতাদের চাহিদা আমরা পূরণ করতে পারছি না। শূন্যস্থানটি অন্য রাজ্যের, যেমন তামিলনাড়ুর শিবাকাশি থেকে আসা বাজি পূরণ করছে।
তাছাড়া, অপ্রত্যাশিত বৃষ্টিও প্রোডাকশন কমিয়ে দিয়েছে। বৃষ্টির কারণে আমাদের তৈরি বাজির পরিমাণ কম, তাই ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করতে পারছি না, তিনি আরও যোগ করেন।
বাজি শিল্পের এই সমস্যা শুধু ব্যবসায়ীদের জন্য নয়, উৎসবের আনন্দও প্রভাবিত করতে পারে। ব্যবসায়ীরা চাইছেন দ্রুত লাইসেন্সের ব্যবস্থা করা হোক, যাতে চাহিদা অনুযায়ী নিরাপদ ও মানসম্মত বাজি তৈরি ও সরবরাহ করা যায়।















