Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

এসসিও সামিটে মোদির ত্রিমুখী কূটনীতি পুতিন-পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক

এসসিও সামিটে মোদির ত্রিমুখী কূটনীতি পুতিন-পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক

কিরঘিস্তানের রাজধানী বিশকেকে চলমান ২৬তম সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সামিটের ফাঁকে গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্ববৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ান এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে পৃথক পৃথক আলোচনায় বসেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা হয় দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে।

 

কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, আমেরিকাকে পাল্টা বার্তা দিতে ইরান-রাশিয়া-ভারতের এই বৈঠক আসলে ‘তৃতীয় অক্ষ’ শক্তি গঠনের ইঙ্গিতবাহী।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম ইরানি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসলেন মোদি। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদসংস্থা তাসনিমের দাবি, বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং পারস্পরিক স্বার্থযুক্ত ক্ষেত্রগুলিতে যৌথ সহযোগিতা জোরদারের ওপর জোর দেন মোদি ও পেজেসকিয়ান। এই হাই প্রোফাইল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী সাইয়েদ আব্বাস আরাকচি-সহ অন্যান্য শীর্ষকর্তারা।

 

আমেরিকা-ইরান সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি এমনিতেই উত্তাল। ভারত-ইরান বাণিজ্য সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে জোরালো হলেও, হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়া এবং তেহরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার জেরে দুই দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আমেরিকার ‘শত্রু’ রাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এসসিও সামিটে পুতিনের সঙ্গেও বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের অশান্তি, হরমুজ প্রণালীর অবরোধ ও অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ট্রাম্পের শুল্কনীতি ও যুদ্ধনীতির বিপরীতে এই বৈঠক ভারত-রাশিয়া-ইরানের একজোট হওয়ার বার্তা দিচ্ছে। যদিও চিন মার্কিন-বিরোধী অক্ষে থাকলেও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তাদের আগ্রাসী নীতি এবং অরুণাচল সীমান্ত নিয়ে টানাপোড়েনে ভারত-চিন সম্পর্ক এখনও জটিল।

READ MORE.....