Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

কেন্দ্র-রাজ্য দুজনের গোঁয়ার্তুমির ফল ভুগছে বিএলও’রা, অধীর রঞ্জন চৌধুরী

কেন্দ্র-রাজ্য দুজনের গোঁয়ার্তুমির ফল ভুগছে বিএলও’রা, অধীর রঞ্জন চৌধুরী

‘কেন্দ্র – রাজ্য দুজনের গোঁয়ার্তুমির ফল ভুগছে বিএলওরা। রাজ্য সরকার কেন তাদের কর্মচারীদের এসআইআর পর্ব থেকে উইথড্র করে নিচ্ছেন না, কেন বলছেন না আমার কর্মচারীদের নিয়ে এসআইআর নয়।’ রবিবার এমন বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন লোকসভার প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। রাজ্যে চলমান এসআইআর প্রক্রিয়ার মাঝে একের পর এক বিএলও মৃত্যুর ঘটনায় এভাবেই মমতা-মোদীকে আক্রমণ শানালেন প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী। এদিন তিনি বলেন, কেন্দ্র -রাজ্য দুজনের গোঁয়ার্তুমির ফল ভুগছে বিএলও-রা।

 

তিনি বলেন, ‘রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়।’ বাংলায় এসআইআর নিয়ে তোলপাড়ের মাঝেই একের পর এক বিএলও মৃত্যুর ঘটনায় ছড়িয়েছে তুমুল চাঞ্চল্য। কাজের চাপে ইতিমধ্যে তিন জন বিএলও আত্মঘাতী হচ্ছেন। এই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ লিখেছেন গতকাল কৃষ্ণনগরের বিএলও মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে মমতা লেখেন, ‘কৃষ্ণনগরে আরও একজন বিএলও, একজন মহিলা শিক্ষিকার মৃত্যুর খবর শুনে আমি হতবাক। রিঙ্কু তরফদার তার বাড়িতে আত্মহত্যা করার আগে তার সুইসাইড নোটে নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন।’ এর পর, মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন যে এসআইআর-এর কারণে পশ্চিমবঙ্গে আরও কত মৃত্যুর ঘটনা ঘটবে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পোস্টে লিখেছেন, ‘আরও কত প্রাণহানি ঘটবে?

 

এসআইআর-এর জন্য আরও কত মানুষকে মরতে হবে? এই প্রক্রিয়ার জন্য আমাদের আরও কত মৃতদেহ দেখতে হবে? এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ পাশাপাশি তিনি এসআইআর অবিলম্বে বন্ধের দাবিও জানিয়েছেন। এবার বিএলও মৃত্যু নিয়ে গর্জে উঠলেন দাপুটে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। রবিবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, কেন্দ্র – রাজ্য দুজনের গোঁয়ার্তুমির ফল ভুগছে বিএলও-রা। রাজ্য সরকার কেন তাদের কর্মচারীদের এসআইআর পর্ব থেকে উইথড্র করে নিচ্ছেন না, কেন বলছেন না আমার কর্মচারীদের নিয়ে এসআইআর নয়। কমিশন-রাজ্য একে অপরকে দোষারোপ করছে।

 

রাজ্য সরকার যদি মনে করে এই বিএলও-দের মৃত্যুর কারণ এসআইআর, রাজ্য সরকার ঘোষণা করুন পশ্চিমবঙ্গে কোন সরকারি কর্মচারী এসআইআর প্রক্রিয়ায় অংশ করবে না। সেটা না করে উনি কমিশনের উপর দোষ চাপাচ্ছেন। কমিশন রাজ্যের উপর দোষ চাপাচ্ছে। তার ফল ভুগতে হচ্ছে রাজ্যের নিরীহ সাধারণ সরকারি কর্মচারীদের।’ বিএলও মৃত্যু নিয়ে মমতা-কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানার পাশাপাশি এদিন অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও রাজ্য সরকারকে তুলোধোনা করে অধীর বলেন, ‘সারা বাংলা জুড়ে জাল আইডি তৈরি করে অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্যে বসবাসের সুযোগ করে দিয়েছেন মাননীয়া। মালদা-মুর্শিদাবাদ থেকে শুরু করে সন্দেশখালি, শিলিগুড়ি সর্বত্র অনুপ্রবেশ চলছে অবাধে।’

READ MORE.....