Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

খাম প্রতীক জটিলতায় কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

খাম প্রতীক জটিলতায় কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

রাজ্যের দুই কেন্দ্র নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন। তার আগে খাম প্রতীক নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর। নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে এই প্রতীক ঋতব্রত শিবিরকে বরাদ্দ করা হয়েছে। অথচ এই প্রতীকটি বরাবরই আইএসএফের বলে দাবি নওশাদ সিদ্দিকিদের। কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন নওশাদ।মামলার শুনানিতে প্রতীক বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, এমন সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল, যাতে বিতর্ক তৈরি হয়।

 

আদালতের পর্যবেক্ষণ, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগেই অন্য একটি রাজনৈতিক দল এই প্রতীক ব্যবহার করেছিল। মোট ১৮৩টি প্রতীক থাকা সত্ত্বেও কেন ওই প্রতীকটিই বেছে নেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। আদালতের বক্তব্য, বিতর্কিত প্রতীকটি এড়িয়ে অন্য কোনও প্রতীক দেওয়া যেত।আগে শুনানি না করেই কেন প্রতীক বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হল, সেই প্রশ্নও ওঠে। বিচারপতির প্রশ্ন,আগের ব্যবহারকারীকে কেন অগ্রাধিকার দেওয়া হল না।কমিশনের তরফে জানানো হয়, প্রতীক বাছাইয়ের সুযোগ আবেদনকারীকে দেওয়া হয়েছিল।

 

পালটা মামলাকারীদের আইনজীবী জানান, তাঁরা আলাদা করে কোনও প্রতীক বেছে নেননি, কমিশনই প্রতীক বরাদ্দ করেছিল।বিচারপতি প্রশ্ন করেন, কোনও প্রতীক নিয়ে বিরোধের সম্ভাবনা থাকলে কমিশন আগে তা পুনর্বিবেচনা করল না কেন। নির্বাচন নির্বিঘ্ন রাখার দায়িত্ব কর্তৃপক্ষেরই বলে মন্তব্য করে আদালত। তাঁর প্রশ্ন,কর্তৃপক্ষের কাজ কি মানুষকে বারবার আদালতে আসতে বাধ্য করা?

READ MORE.....