চোরবাগান-কাণ্ডের তদন্ত থেকে মৃতের পরিবারের পুনর্বাসন, একাধিক বিষয়ে পদক্ষেপের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার রাতে হাওড়ার সালকিয়ায় বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। মৃতের পরিবারের হাতে ২৫ লক্ষ টাকার চেক তুলে দেওয়ার পাশাপাশি বিকাশবাবুর ভাইপো অমিতাভ ভট্টাচার্যকে চাকরির আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।
পরিবারটি যাতে আয়ুষ্মান কার্ড-সহ অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা পায়, তা নিশ্চিত করতে জেলাশাসক পি দীপাপপ্রিয়াকে নির্দেশ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের তরফে আরও দু’লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। চোরবাগান-কাণ্ডের তদন্তে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট আগামী তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেবে বলে জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় মৃত ১৬ জনের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে আরও এক মৃতের বাড়িতে যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। বিহারের মুজফফরপুরে মৃত দুই ব্যক্তির পরিবারের কাছে আর্থিক সাহায্যের চেক পৌঁছে দিতে মন্ত্রী উমেশ রাইকে পাঠানো হবে।
তাঁদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে কথাও বলবেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিকে, দুর্গাপুজোয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, রাজ্যে প্রায় ৬৮ হাজার পুজো হলেও এবারের উৎসবে একটি দুর্ঘটনাই ঘটেছে। চোরবাগান-কাণ্ডের পর ভবানী ভবন থেকে সমস্ত জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের নিয়ে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আগামী ২৮ অক্টোবর কালীপুজো ও দীপাবলির প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে পরিবেশ দপ্তরের আধিকারিকেরাও উপস্থিত থাকবেন। অন্যদিকে, ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বর্ষার শেষে প্রতিবছরই সংক্রমণ বাড়ে। গত বছরের তুলনায় এ বছর আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা কম বলে দাবি করলেও পরিস্থিতি নিয়ে সন্তুষ্ট নন তিনি। ডেঙ্গি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।














