উৎসবের মরশুম শেষ হলেই বঙ্গে বাজতে পারে পুরভোটের দামামা। রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২৫ নভেম্বর কলকাতা, হাওড়া, বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়াং—এই সাতটি পুরসভায় ভোটগ্রহণ হতে পারে। এই সাত পুরসভায় মোট ৬৩০১টি বুথে ভোট নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।
ভোটের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রশাসনিক স্তরে। ভোটের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে আজ, শুক্রবার সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কৃষ্ণ গুপ্ত। বৈঠকে ইভিএম ও নিরাপত্তা কর্মীর চাহিদা নিয়ে আলোচনা হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর। আগামী সপ্তাহ থেকেই সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে ইভিএম পাঠানোর কাজ শুরু হবে।উল্লেখ্য, রাজ্যের ১২টি জেলার ১৫টি পুরসভায় বর্তমানে নির্বাচিত বোর্ড নেই, প্রশাসক দিয়েই চলছে পরিষেবা। এর মধ্যে হাওড়া পুরসভা উল্লেখযোগ্য, যেখানে ২০১৩ সালের পর গত ১৩ বছরে কোনও নির্বাচন হয়নি। দীর্ঘদিন ভোট না হওয়া পুরসভার তালিকায় আরও রয়েছে দুর্গাপুর, বুনিয়াদপুর, পূজালি, মিরিক, পাঁশকুড়া, কুপার্স ক্যাম্প, নলহাটি প্রভৃতি। এদের অধিকাংশেরই শেষ ভোট হয়েছিল ২০১৭ সালে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরকার গঠনের পরপরই আটকে থাকা পুরভোট দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। মন্ত্রিসভা গঠনের পরই পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকও করেন।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী বছরের শুরুতে রাজ্যের আরও ১১২টি পুরসভার বোর্ডের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। ফলে আটকে থাকা ও মেয়াদোত্তীর্ণ মিলিয়ে আগামী নয় মাসে মোট ১২৭টি পুরসভার ভোট যথাসময়ে সম্পন্ন করাই এখন নবান্ন ও নির্বাচন কমিশনের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।














