Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

নিজে সততার প্রতীক সেজে সবাইকে ফাঁসিয়েছেন, মমতার অ্যাকাউন্টে ৩০ লক্ষের দাবি ঘিরে দিলীপের আক্রমণ

নিজে সততার প্রতীক সেজে সবাইকে ফাঁসিয়েছেন, মমতার অ্যাকাউন্টে ৩০ লক্ষের দাবি ঘিরে দিলীপের আক্রমণ

দুর্গাপুজোর পাস-কাণ্ডে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই তপ্ত হচ্ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। ইডির দাবি, ইন্দ্রনীলের মালিকানাধীন ‘অক্টেভ রেকর্ডস’-এর অ্যাকাউন্ট থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে ৩০ লক্ষ টাকা গিয়েছিল। তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য অনুযায়ী, ওই সংস্থার অ্যাকাউন্টে ৩.৮ কোটি টাকার বেশি নগদ জমা পড়েছিল। এই দাবিকেই সামনে রেখে মমতাকে নিশানা করেছেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

 

তাঁর বক্তব্য, এতদিন তৃণমূলের একের পর এক নেতা-মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও মমতার বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও আর্থিক অভিযোগ সামনে আসেনি। দিলীপ বলেন, “উনি নিজেকে সততার প্রতিমূর্তি রেখে বাকি সবাইকে ফাঁসিয়ে দিয়েছেন। তাঁর নেতা-মন্ত্রীরা জেলে যাচ্ছেন, উনার গায়ে কোনও কালি লাগেনি। কিন্তু এই চালাকিটা আর বেশিদিন চলবে না।” এর পরেই তৃণমূলের তরফে পাল্টা ব্যাখ্যা দিয়েছেন কুণাল ঘোষ। মমতার অ্যাকাউন্টে টাকা যাওয়ার বিষয়টি দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নয় বলে তাঁর দাবি। কুণালের কথায়, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু লেখিকা নন, উনি গান লেখেন, সুর করেন। ইন্দ্রনীল সেনের সংস্থার সঙ্গে ওনার চুক্তি ছিল। সেই মতোই টাকা পেয়েছেন।” ইডির তদন্তের কেন্দ্রবিন্দু অবশ্য শুধু ওই ৩০ লক্ষ টাকা নয়। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ২০২২ সাল থেকে প্রায় তিন বছর পুজোর পাসের নামে টাকা তোলা হয়েছিল।

 

পাশাপাশি ৮৫ কোটি টাকার বেশি মূল্যের একাধিক সরকারি কাজ নিয়ম মেনে দেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এর আগে পুজোর পাস সংক্রান্ত অভিযোগে ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ি-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। পরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। ইন্দ্রনীল অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ফলে তদন্তের আর্থিক দিকের পাশাপাশি এখন রাজনৈতিক প্রশ্নও সামনে এসেছে—ইডির নথিতে উল্লেখ করা ৩০ লক্ষ টাকার লেনদেনের প্রকৃতি কী এবং তার সঙ্গে পুজোর পাস-কাণ্ডের কোনও যোগ রয়েছে কি না। তার উত্তর মিলবে তদন্ত এগোলেই।

READ MORE.....