Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা রাজ্য সরকারের

পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা রাজ্য সরকারের

প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ভিনরাজ্যে কাজের খোঁজে যাওয়া পরিযায়ী শ্রমিকদের বাংলার গ্রামীণ কর্মসংস্থানের সঙ্গে ফের যুক্ত করতে বিশেষ উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। রাজ্যে চিহ্নিত ২২ লক্ষেরও বেশি পরিযায়ী শ্রমিক পরিবারের ১০০ শতাংশকে ‘গ্রামীণ রোজগার গ্যারান্টি কার্ড’-এর আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে যোগ্য পরিবারগুলিকে বছরে ১২৫ দিনের কাজের সুযোগ দেওয়ার লক্ষ্যে জেলায় জেলায় বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। রাজ্য সরকারের মূল লক্ষ্য, ‘ঘরের শ্রমিককে ঘরেই কাজ’-এর সুযোগ তৈরি করে পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিনরাজ্যে যাওয়ার প্রবণতা কমানো এবং তাঁদের রাজ্যের গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে পুনরায় যুক্ত করা।

 

২২ লক্ষের বেশি পরিযায়ী শ্রমিক চিহ্নিত

রাজ্যের ২২টি জেলার তথ্যের ভিত্তিতে মোট ২২ লক্ষ ২৪ হাজার ৬০ জন পরিযায়ী শ্রমিককে চিহ্নিত করা হয়েছে। শ্রম দফতরের কাছে থাকা জেলা-ভিত্তিক তথ্যের ভিত্তিতেই এই বিশেষ অভিযান চালানো হবে। প্রথমে কোন কোন পরিযায়ী শ্রমিক পরিবার ইতিমধ্যেই রোজগার গ্যারান্টি কার্ড পেয়েছে, তা যাচাই করবে জেলা প্রশাসন। যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও যে পরিবারগুলি এখনও কার্ড পায়নি, তাদের দ্রুত কার্ড দিয়ে ১০০ শতাংশ কভারেজ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু কার্ড দেওয়াই নয়, সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের কাজের চাহিদাও নথিভুক্ত করতে হবে।

 

সেই অনুযায়ী মজুরিভিত্তিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনকে। চিহ্নিত পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যার নিরিখে রাজ্যে শীর্ষে রয়েছে মুর্শিদাবাদ। এই জেলায় ৩ লক্ষ ৮৬ হাজার ১৯১ জন পরিযায়ী শ্রমিককে চিহ্নিত করা হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মালদা (২,৮৬,৩২৯ জন)। রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ‘বিকশিত ভারত-জি রাম জি’ প্রকল্পের আওতায় যোগ্য গ্রামীণ পরিবারকে বছরে ১২৫ দিনের কাজের নিশ্চয়তা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া এই প্রকল্পকে কাজে লাগিয়েই ভিনরাজ্যে থাকা শ্রমিকদের বাংলার গ্রামীণ কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পরিযায়ী শ্রমিকদের পরিবারগুলিকে দ্রুত চিহ্নিত করে তাঁদের কর্মসংস্থানের আওতায় আনতে সমস্ত জেলাশাসক, জেলা প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর এবং জিটিএ-কে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

READ MORE.....