:ভাগের ময়দান মাটি পায় না—কলকাতা ময়দানের বর্তমান পরিস্থিতি বোঝাতে যেন এই কথাটিই সবচেয়ে যথার্থ। ফুটবল, ক্রিকেট ও হকি—তিন খেলাতেই সারা বছর ব্যস্ত থাকে ময়দান। এখন চলছে ফুটবলের মরশুম। পঞ্চম ডিভিশন থেকে প্রথম ডিভিশন পর্যন্ত বিভিন্ন লিগের ম্যাচ হচ্ছে। এরপর ক্রিকেট, তারপর হকি। ফলে লাগাতার ব্যবহারে একাধিক মাঠের অবস্থা ক্রমশ খারাপ হচ্ছে।সম্প্রতি কর্দমাক্ত মাঠ ও লম্বা ঘাসের মধ্যে কলকাতা লিগের তৃতীয় ডিভিশনের ম্যাচের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। মাঠের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
কিন্তু দায় কার, তা নিয়ে মতভেদ থাকলেও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ এখনও স্পষ্ট নয়।ময়দানের জমির মালিকানা সেনাবাহিনীর অধীনে। বিভিন্ন ক্লাব মাঠ ব্যবহার করে এবং একাধিক ক্লাবের একাধিক খেলার দল রয়েছে। ফলে মাঠের ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। বর্ষায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে।ফুটবলের বেহাল মাঠ নিয়ে সরব হয়েছেন প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক বাইচুং ভুটিয়া। তাঁর মতে, নিচুতলার লিগে এমন মাঠ ভারতীয় ফুটবলের উন্নতির পথে বাধা। জবাবে আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত জানান, বর্ষায় ঘাস কাটার যন্ত্র ব্যবহার করা যায়নি। মাঠ সংস্কার নিয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁর সঙ্গে তাঁদের আলোচনা হয়েছে।
অনির্বাণের ব্যাখ্যা, মাঠের মাটি সরে গিয়ে অনেক জায়গা বাটির মতো হয়ে পড়েছে। ফলে জল বেরোতে পারছে না। পিচের মাটি ধুয়ে যাওয়ায় সমস্যা আরও বেড়েছে। মাঠ প্রায় দুফুট উঁচু করার প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।কিন্তু ফুটবল মরশুম চলায় এখনই সংস্কার সম্ভব নয়। নভেম্বর থেকে ক্রিকেটের পিচ তৈরির কাজ শুরু হবে। ফলে তিন খেলাকে ঘিরে মাঠ ব্যবহারের সমন্বয় না হলে সমস্যা থেকেই যাবে। ভালো মাঠের অভাবে চোটের আশঙ্কার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সও।














