Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

জোড়া ফুল প্রতীক ফ্রিজ করল কমিশন

জোড়া ফুল প্রতীক ফ্রিজ করল কমিশন

উপনির্বাচনের আগেই ঝরে গেল ঘাসফুল! দীর্ঘ টানাপোড়েন শেষে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করল নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে অন্য প্রতীকে লড়তে হবে মমতা ও ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থীদের। ঘাসের উপর জোড়া ফুল। আর তৃণমূলের এই জোড়া ফুলের জোড়া দাবিদার নিয়েই সমস্যায় পড়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এবারের বিধানসভা নির্বাচনের তৃণমূল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে লড়াই করে ৮০ বিধায়ক নিয়ে বিধানসভায় গেলেও তার কয়েকদিনের মধ্যেই ভাঙন ধরে মমতার নেতৃত্বে।

 

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কে বিরোধী দলনেতা পদে স্বীকার করে নিয়ে তৃণমূলের টিকিটে বিজয়ী অন্তত ৬০ জন বিধায়ক মমতার নেতৃত্ব ত্যাগ করে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। অন্যদিকে শোভন দেব চট্টোপাধ্যায় কে বিরোধী দলনেতা পরে মনোনীত করে চিঠি দিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখনো পর্যন্ত বিচারাধীন থাকলেও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কে বিরোধী দলনেতা পদে স্বীকার করে নিয়েছেন রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষ। এই পরিস্থিতিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়ক এর সমর্থন নিজের সঙ্গে আছে বলে দাবি করে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে তৃণমূলের জোড়া ফুল প্রতীকের দাবি জানিয়েছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

অন্যদিকে এই দাদিকে অনেক জলে জারি করে নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের প্রতীক রাখার দাবি জানিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে কয়েক দফা বক্তব্য এবং চিঠি চালাচালির পরে আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন দিল্লিতে উভয়পক্ষকে নিজেদের দাবির সমর্থনে নথিপত্র পেশ করার জন্য ডেকেছিল। এদিন প্রথমে ঋতব্রত শিবিরের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক করে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। ঋতব্রত শিবিরের তরফে এদিন কমিশনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন – ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, আখরুজ্জামান, অরূপ রায় এবং তাঁদের আইনজীবী। বৈঠক নিয়ে তাঁদের বক্তব্য, কমিশন যে যে নথি চেয়েছিল তা জমা দেওয়া হয়েছে।

 

কমিশনের কাছে তাঁরা তাঁদের সব যুক্তি ব্যক্ত করেছেন। তাই তাঁরা আশাবাদী যে জোড়াফুল প্রতীক তাঁরাই পাবেন। যদিও কমিশন কবে এই সিদ্ধান্ত নেবে, বা আদৌ প্রতীক নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত এখনই হবে কিনা, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা দিতে পারেননি ঋতব্রতরা। ১৯৬৮ সালের ‘ইলেকশন সিম্বলস অর্ডার’-এর ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে কোন পক্ষ স্বীকৃত দল হিসেবে গণ্য হবে। আইনি বিশ্লেষকদের মতে, সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হলে শিবসেনা বা এনসিপি-র সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতার মতো কমিশন আপাতত জোড়াফুল প্রতীকটি ‘ফ্রিজ’ (স্থগিত) করে দিতে পারে।

READ MORE.....