Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

বঙ্গ বিজেপিতে বড় রদবদল

বঙ্গ বিজেপিতে বড় রদবদল

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের পশ্চিমবঙ্গ সফরের ঠিক দুদিন আগেই রাজ্য বিজেপির সাংগঠনিক কাঠামোয় বড়সড় রদবদল ঘটাল দল। শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তিতে যুব ও মহিলা মোর্চার শীর্ষ মুখ বদলের পাশাপাশি সাতটি সাংগঠনিক জেলার নেতৃত্বেও আনা হয়েছে নতুন মুখ। পাশাপাশি দলে এক ব্যক্তি, এক পদ নীতি কঠোরভাবে কার্যকর করে যাঁদের সদ্য মন্ত্রী করা হয়েছে, তাঁদের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।রাজ্য বিজেপির নতুন সভাপতি হিসেবে শমীক ভট্টাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দফায় দফায় নতুন কমিটি ও পদাধিকারীদের নাম ঘোষণা করা হচ্ছিল।

 

রাজ্য পদাধিকারী, মিডিয়া ও সোশাল মিডিয়া সেল এবং মুখপাত্রদের তালিকা আগেই প্রকাশ হয়েছিল। বৃহস্পতিবার দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) পদে অমিতাভ চক্রবর্তীর নাম পুনরায় চূড়ান্ত হয়, আর তার পরপরই শুক্রবার শাখা সংগঠন ও জেলাস্তরের বাকি রদবদলের সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিল পদ্ম শিবির।যে মন্ত্রীরা রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি পদে ছিলেন, যেমন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পাল ও দীপক বর্মন, কিংবা সম্পাদক পদে থাকা শঙ্কর ঘোষকে সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের নাম বাদ পড়া। তিনি মন্ত্রী নন, নিছক বিধায়ক হলেও তাঁকে রাজ্য সম্পাদক পদ থেকে ছেঁটে ফেলা হয়েছে। দলে বিধায়ক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদ সামলানোয় আপত্তি না থাকা সত্ত্বেও শর্বরীর বাদ পড়া নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।

 

সূত্রের খবর, স্থানীয় স্তরে দলীয় কর্মীদের একাংশের অসন্তোষের জেরেই এই সিদ্ধান্ত।নতুন এই বিন্যাসে স্পষ্ট প্রভাব রয়েছে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসলের। রাজ্যে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি যে বুথ সশক্তিকরণ অভিযান চালিয়েছিলেন, তার সঙ্গে যুক্ত ঘনিষ্ঠরাই নতুন তালিকায় গুরুত্বপূর্ণ জায়গা পেয়েছেন। প্রবাল রাহা ও শশী অগ্নিহোত্রীর পাশাপাশি বনসল টিম-এর রামপদ দাস হয়েছেন নতুন সহ-সভাপতি, সম্পাদক পদে ঠাঁই পেয়েছেন নীলাঞ্জন অধিকারী ও শঙ্কর চক্রবর্তী। যুব মোর্চার নতুন সভাপতি অমিত সামন্তও বনসল-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ তালিকা অনুযায়ী, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সতীশ ধোন্ড শীর্ষ নেতৃত্বে রয়েছেন।

 

সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন শশী অগ্নিহোত্রী, জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, সৌমিত্র খান, লকেট চট্টোপাধ্যায় ও বাপি গোস্বামী। সহ-সভাপতি হয়েছেন সঞ্জয় সিং, প্রবাল রাহা, অনিন্দ্য ব্যানার্জি, দেবশ্রী চৌধুরী, রাজু বিস্তা, অমিতাভ রায়, তনুজা চক্রবর্তী, ফাল্গুনী পাত্র, রামপদ দাস, বিদ্যাসাগর চক্রবর্তী, মনোজ পাণ্ডে ও অনন্ত দেব অধিকারী। সম্পাদক পদে স্থান পেয়েছেন দীপাঞ্জন গুহ, মহাদেব সরকার, শাখারভ সরকার, সিন্টু সেনাপতি, মোহন শর্মা, বিভা মজুমদার, সঞ্জয় বর্মা, সোনালি মুর্মু, অজিত দাস, অনল বিশ্বাস, নীলাঞ্জন অধিকারী ও শঙ্কর চক্রবর্তী। কোষাধ্যক্ষ পদে দায়িত্ব পেয়েছেন কেদারাশিস বাপট, যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন প্রবীণ আগরওয়াল ও বিদ্যাসাগর মন্ত্রী। দফতর সম্পাদকের দায়িত্বে থাকছেন প্রকাশচন্দ্র দাস, তাঁর সঙ্গে যুগ্ম দফতর সম্পাদক হিসেবে থাকবেন প্রত্যুষ মণ্ডল।

READ MORE.....