Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

ভোটার তালিকায় নাম রক্ষায় তৎপর রাজ্য, জট কাটাতে এবার ডিজিটাল অস্ত্রে মাঠে নবান্ন

ভোটার তালিকায় নাম রক্ষায় তৎপর রাজ্য, জট কাটাতে এবার ডিজিটাল অস্ত্রে মাঠে নবান্ন

ভোটার তালিকা সংশোধনের শুনানিতে এবার আমজনতার রক্ষাকবচ হতে চলেছে আবাসের শংসাপত্র। নথির অভাবে যাতে কারও নাম কাটা না যায়, তার জন্য বড় পদক্ষেপ করল নবান্ন। বাড়ি তৈরির অনুদান পাওয়ার প্রমাণপত্র বা ‘হাউস অ্যালটমেন্ট সার্টিফিকেট’ এখন থেকে মিলবে ঘরে বসেই। রাজ্য পঞ্চায়েত দফতরের ওয়েবসাইট থেকে মাত্র এক ক্লিকেই এই নথি ডাউনলোড করার বিশেষ সুবিধা চালু হয়েছে।

 

২৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে চলা বিশেষ শুনানিতে এই ডিজিটাল শংসাপত্রই হবে ভোটারদের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুসারে, নাগরিকত্ব প্রমাণের ১৩টি নথির মধ্যে সরকারি আবাসের শংসাপত্র অন্যতম। শুনানির সময় এই জরুরি কাগজ জোগাড় করতে গিয়ে মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করাই রাজ্যের মূল লক্ষ্য। পঞ্চায়েত দফতরের নির্দিষ্ট পোর্টালে ( পিআরডি.ডাবলুবি.জিওভি. ইন) গিয়ে নিজের ফোন নম্বর দিলেই ওটিপি আসবে। যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হতেই নাম-ঠিকানা মিলিয়ে মিলবে এই শংসাপত্র। এতে একটি বিশেষ ‘কিউআর কোড’ থাকছে।

 

ফলে কোনো আধিকারিক এই নথির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারবেন না। কোড স্ক্যান করলেই সরকারি সার্ভারে থাকা তথ্যের সঙ্গে তা মিলিয়ে নেওয়া যাবে। রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার জানিয়েছেন, মানুষের দুর্ভোগ কমাতেই এই ডিজিটাল উদ্যোগ। বর্তমানে প্রায় ৭৪ লক্ষ উপভোক্তা এই পরিষেবার আওতায় আসতে চলেছেন। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ৩৪ লক্ষ এবং ইন্দিরা আবাস যোজনার ১১ লক্ষ গ্রাহক সরাসরি এই সুবিধা পাবেন। এর পাশাপাশি রাজ্যের নিজস্ব প্রকল্প ‘বাংলার বাড়ি’র ১২ লক্ষ এবং ‘চা সুন্দরী এক্সটেনশন’ প্রকল্পের ২১ হাজার উপভোক্তাও সহজেই ডাউনলোড করতে পারবেন এই প্রমাণপত্র।

 

রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার জানিয়েছেন, মানুষের দুর্ভোগ কমাতেই এই ডিজিটাল উদ্যোগ। বর্তমানে প্রায় ৭৪ লক্ষ উপভোক্তা এই পরিষেবার আওতায় আসতে চলেছেন। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ৩৪ লক্ষ এবং ইন্দিরা আবাস যোজনার ১১ লক্ষ গ্রাহক সরাসরি এই সুবিধা পাবেন। এর পাশাপাশি রাজ্যের নিজস্ব প্রকল্প ‘বাংলার বাড়ি’র ১২ লক্ষ এবং ‘চা সুন্দরী এক্সটেনশন’ প্রকল্পের ২১ হাজার উপভোক্তাও সহজেই ডাউনলোড করতে পারবেন এই প্রমাণপত্র।

 

প্রশাসনিক সূত্রের খবর, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে আরও ১৬ লক্ষ মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির টাকা ঢোকা শুরু হবে। টাকা পাওয়ার পর তাঁরাও এই পোর্টাল ব্যবহার করতে পারবেন। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর যাঁদের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বা যাঁরা নোটিশ পেয়েছেন, তাঁদের জন্য এই সরকারি শংসাপত্র অত্যন্ত কার্যকরী হবে। জালিয়াতি রুখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই কিউআর কোড যুক্ত ডিজিটাল সার্টিফিকেট ভোটার তালিকায় নাম বহাল রাখার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নেবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

READ MORE.....