পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার বনগাঁ’র জনসভা থেকে বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনী প্রচার পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার আগেই তাঁর গতিবিধি আটকানোর চেষ্টা শুরু হয়ে গিয়েছে। তাঁর নির্ধারিত হেলিকপ্টারের উড়ান আকস্মিক ‘ছলচাতুরির’ কারণেই ব্যহত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন। তবে বিজেপি’র এই পদক্ষেপ বুমেরাং হয়ে দেখা দেয়।
কারণ সড়কপথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যাত্রা জনসাধারণের ব্যাপক উৎসাহে শোভাযাত্রায় পরিণত হয় – যা কোনও হেলিকপ্টার অবতরণের সময় হওয়া ভিড়ের তুলনায় বহুগুণ বেশি ছিল। ‘আসলে গোটা বিষয়টা আমার পক্ষেই কাজ করেছে। কারণ সড়কপথে আসার ফলে আমি হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেলাম’, বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বিজেপি’কে উদ্দ্যেশ্য করে বলেন, ‘আমি বিজেপি-কে বলতে চাই : আমার সঙ্গে খেলতে এসো না। যে খেলা আমি খেলব, তোমরা তার ধারেকাছেও পৌঁছতে পারবে না! তোমরা কোটি কোটি টাকা খরচ করলেও এবং হাতে থাকা সব সংস্থা’কে অপব্যবহার করলেও মনে রাখবে—মানুষ তোমাদের ভোট দেবে না। মানুষ চায় নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক মর্যাদা।
তোমরা যদি নারীদের সম্মান দিতে নাও পারো, অসম্মান করবার সাহস দেখাবে না। আমি এখানে নারী শক্তির প্রতীক হিসাবে দাঁড়িয়ে আছি।’ ওই ঘটনায় দিদির সাথে গর্জে উঠলো, গোটা জঙ্গলমহল। ঘটনা প্রসঙ্গে ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের সভাধিপতি চিন্ময়ী মারান্ডি বলেন, ওই ঘটনার নিন্দা করার ভাষা আমাদের জানা নেই। তবে বিজেপি যে জঘন্য রাজনীতির খেলা শুরু করেছে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের পাশাপাশি গোটা জঙ্গলমহলের মানুষ তার যোগ্য জবাব দেবে। ওই ঘটনার জন্য তিনি দিদি’র সুরে সুর মিলিয়ে বিজেপিকে ধিক্কার জানান।













