জল্পনার অবসান। সরকারিভাবে ইন্ডি জোটে যোগ দিল থলপতি বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কাজাগম (টিভিকে)। শনিবার চেন্নাইয়ে তামিলনাড়ুর ইন্ডি জোটের বৈঠকে টিভিকে-র শীর্ষ নেতারা যোগ দেন। ওই বৈঠকেই দলটিকে আনুষ্ঠানিক ভাবে জোটে শামিল করা হয়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে ইন্ডি জোটের ঘোষিত যৌথ কর্মসূচিতেও অংশ নেবে বিজয়ের দল।গত ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ইন্ডি জোটের বৈঠকে অবশ্য আম আদমি পার্টি এবং ডিএমকে-কে দেখা যায়নি। দুই দলেরই বক্তব্য, কংগ্রেস যে মঞ্চে থাকবে, সেখানে তাঁদের পক্ষে থাকা সম্ভব নয়।
আসন্ন পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে আপের সঙ্গে সরাসরি লড়াই রয়েছে কংগ্রেসের। গোয়া ও গুজরাটেও দুই দল পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। অন্যদিকে, তামিলনাড়ুর সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজয়ের পর কংগ্রেস যেভাবে ডিএমকে-র এম কে স্ট্যালিনের হাত ছেড়ে বিজয়ের দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছে, তাতে ক্ষুব্ধ স্ট্যালিন। ফলে আপ ও ডিএমকে বর্তমানে ইন্ডি জোটের বাইরে থাকায় বিজয়ের দলের প্রবেশ বিরোধী শিবিরকে কিছুটা রাজনৈতিক অক্সিজেন দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।কংগ্রেস সূত্রের দাবি, আগামী ৬ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন অভিযানে ইন্ডি জোটের নেতাদের সঙ্গে টিভিকে-ও অংশ নেবে।
পাশাপাশি, তামিলনাড়ুর প্রতিটি জেলায় টিভিকে, কংগ্রেস এবং বাম দলগুলি যৌথ ভাবে কর্মসূচি করবে জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে। যদিও বিজয় নিজে এখনও কোনও কর্মসূচি ঘোষণা করেননি। তাই ওই বিক্ষোভে তাঁর সরাসরি উপস্থিতি নিয়ে সংশয় রয়েছে।৩০ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে জোটের নেতারা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, জোটের বাইরে থাকা দলগুলিকেও ভবিষ্যতের কর্মসূচিতে যুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। সেই অনুযায়ী নবীন পট্টনায়েক ও অরবিন্দ কেজরীওয়ালের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। তবে তাঁরা সাড়া দেননি। সেই পরিস্থিতিতে টিভিকে-র আনুষ্ঠানিক যোগদান ইন্ডি জোটকে নতুন মাত্রা দিল। রাজনৈতিক মহলের মতে, তামিলনাড়ুতে বিজয়ের জনপ্রিয়তা এবং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণকে কাজে লাগিয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবির আরও শক্তি সঞ্চয়ের চেষ্টা করছে আগামী দিনে।














