কাকদ্বীপের সূর্যনগরে কালী মূর্তি ভাঙার ঘটনা নিয়ে মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। মিছিলে মথুরাপুর ও ডায়মন্ডহারবার জেলার শীর্ষ নেতৃবৃন্দও অংশগ্রহণ করেন। মিছিল শেষে সুকান্ত মজুমদার একটি প্রতিবাদ সভা করেন।
সভায় তিনি বলেন, দিনের পর দিন কিছু মানুষ মূর্তি ভাঙবে এবং এলাকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করবে। আমরা চুপ করে বসে থাকবো না। পিঠের চামড়া তুলে ডুগডুগি বাজাবো। তিনি তৃণমূল সরকারের পরিকল্পনাকে সরাসরি আক্রমণ করেন এবং জানান, ২০২৬ সালের পর বিজেপি ক্ষমতায় এলে সব ধ্বংসকাজ বন্ধ হবে।
তিনি মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপি হালদার, প্রাক্তন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী ও বর্তমান কাকদ্বীপ বিধায়ক মন্টুরাম পাখিরা এবং নারায়ণ হালদারের বাবার মন্তব্য তুলে ধরে অভিযোগ করেন, এই ঘটনা পরিকল্পিত। নারায়ণ হালদারকে গ্রেপ্তার করা হলেও আরও অনেকের নাম রয়েছে, যারা এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।
সুকান্ত মজুমদার রাজ্যের নারী সুরক্ষা, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা ও বিদেশি নাগরিকদের সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানান, যারা বাংলাদেশ থেকে বেআইনিভাবে এসেছেন, তাদেরকে চিহ্নিত করে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে হবে।
সভায় ত্রাণ বিতরণ করা হয় এবং তৃণমূলের কিছু কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেন। যোগদান অনুষ্ঠানে দলের পতাকা তুলে দেন সুকান্ত মজুমদার। এই ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে এবং ভবিষ্যতে আরও প্রতিবাদ ও তর্ক চলার সম্ভাবনা রয়েছে।















