আর জি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মামলা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল বলে কলকাতা হাই কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ করল নিহত চিকিৎসকের পরিবার। পরিবারের দাবি, মামলা প্রত্যাহারের জন্য টাকার প্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর বাবার মাথায় বন্দুক ঠেকিয়েও চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল।
তবে এই অভিযোগগুলি পরিবারের বক্তব্য হিসাবেই উঠে এসেছে তদন্তে তার সত্যতা নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলছে। বৃহস্পতিবার আর জি কর মামলায় হাই কোর্টে তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করে সিবিআই। শুনানিতে নিহত চিকিৎসকের মা রত্না দেবনাথ অভিযোগ করেন, ঘটনার দিন তাঁরা প্রায় দুঘণ্টা টালা থানায় ছিলেন। সেই সময় দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছিল। তাঁর দাবি, সেই সুযোগে নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এবং সোমনাথ দে গ্রিন করিডর করে তাঁর মেয়ের দেহ নিয়ে যান।পরিবারের আরও অভিযোগ, ওই ব্যক্তিরা তাঁদের বাড়িতে গিয়েছিলেন।
সেখানে তৎকালীন ডিসি নর্থ অভিষেক গুপ্তাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর চলে যাওয়ার পর নির্মল ঘোষ একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে অভয়ার বাবাকে টাকা নেওয়ার জন্য চাপ দেন এবং বন্দুক দেখিয়ে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ সৃষ্টি করেন বলে দাবি করেন রত্না দেবনাথ। সিবিআইকে বিষয়টি জানানো হলেও তা গুরুত্ব পায়নি বলেও অভিযোগ তাঁর।২০২৪ সালের ৯ আগস্ট আর জি করের সেমিনার হল থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। পরে সিবিআই তদন্তভার নেয়। ঘটনায় সঞ্জয় রায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন। তবে পরিবারের দাবি, ঘটনায় আরও অনেকে যুক্ত। এই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে চলতি বছর হাই কোর্ট তিন সদস্যের সিবিআই সিট গঠন করে।















