মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে নির্বাচনী অনিয়ম ও তথাকথিত ‘ভোট চুরি’র অভিযোগে সোমবার বিকেল ৩টেয় সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানাতে চলেছে বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চ। সোমবার সকালে দিল্লির এআইসিসি সদর দফতর ইন্দিরা ভবনে আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে শামিল হতে দেশের সর্বস্তরের নাগরিকের পাশাপাশি বিজেপি সমর্থকদেরও খোলা আহ্বান জানান তিনি।
দিল্লির বারাকাম্বা মোড় থেকে শীর্ষ আদালত পর্যন্ত বিরোধী নেতাদের এই প্রতিবাদী পদযাত্রার ডাক দেওয়া হয়। সাংবাদিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সরাসরি নিশানা করে এক চাঞ্চল্যকর দাবি তোলেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের ভেতর থেকেই অন্তত ২০০ জন সরকারি আধিকারিক বর্তমানে বিরোধীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং ভেতরকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করছেন। এছাড়া কর্তব্যরত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ৫০ শতাংশই বিরোধীদের এই লড়াইকে সমর্থন করছেন বলে দাবি করেন তিনি। রাহুলের অভিযোগ, সাধারণ মানুষ, পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী একদিকে দাঁড়িয়ে রয়েছে; অন্যদিকে মোদী-শাহ-দোভাল ও নির্বাচন কমিশনের শীর্ষকর্তারা গোটা দেশকে কুক্ষিগত করে ভোট কারচুপির চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছেন।
ভোটার তালিকা সংশোধনের(এসআইআর) নামে কারচুপির প্রতিবাদে এবং নির্বাচন কমিশনারের অপসারণের দাবিতে এদিন কনট প্লেস সংলগ্ন এলাকা থেকে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে পদযাত্রার কর্মসূচি নেয় বিরোধীরা। গত দু’দিন ধরে রাজধানীজুড়ে বহু আন্দোলনকারীকে আটক করা এবং নিরাপত্তার কড়াকড়ি সত্ত্বেও আন্দোলন জারি রাখার বার্তা দেন বিরোধী দলনেতা। তীব্র পুলিশি তৎপরতা ও ব্যারিকেড প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে রাহুল বলেন, প্রশাসন যত বেশি পুলিশ মোতায়েন করবে, তত বেশি নিজেদের জালে নিজেরাই জড়িয়ে পড়বে।














