Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

নেতৃত্বে পিছিয়ে শ্রমিক-কৃষকরা, সর্বহারাদের খোঁজে সিপিএম

নেতৃত্বে পিছিয়ে শ্রমিক-কৃষকরা, সর্বহারাদের খোঁজে সিপিএম

শ্রমিক-কৃষকের দল হয়েও দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় সেই শ্রেণির প্রতিনিধিত্ব নিয়ে আত্মসমালোচনার পথে হাঁটল সিপিএম। আগামী দুবছরের মধ্যে পার্টিতে প্রকৃত সর্বহারাদের অন্তর্ভুক্তির নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিল আলিমুদ্দিন স্ট্রিট।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সিপিএমের সদস্যপদ ও নেতৃত্বের সামাজিক বিন্যাসে মধ্যবিত্তের উপস্থিতি ক্রমেই বেড়ে চলেছে, অথচ যে শ্রেণিকে সামনে রেখে কমিউনিস্ট পার্টির মূল রাজনৈতিক লড়াই, সেই গরিব কৃষক, খেতমজুর ও কারখানা শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্ব কমছে নেতৃত্ব স্তরে।

 

এই ভারসাম্যহীনতা নিয়ে উদ্বিগ্ন দলীয় নেতৃত্ব শাখা স্তর পর্যন্ত কড়া নির্দেশ পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে। সিপিএমের সাম্প্রতিক সর্বভারতীয় সাংগঠনিক রিপোর্টেও কৃষি-শ্রমিক ও গরিব কৃষকদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে।দলীয় সূত্রের খবর, আগামী দুবছরের মধ্যে পার্টির সংগঠনে এই অংশের প্রতিনিধিত্ব ৩০ শতাংশের বেশি করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। শুধু সদস্যপদ নয়, বিভিন্ন স্তরের কমিটিতেও তাঁদের উপস্থিতি বাড়াতে হবে বলে নির্দেশে বলা হয়েছে। পাশাপাশি মহিলাদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে, যা পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। দলের নিজস্ব হিসাব বলছে, ২০২৪ সালে রাজ্যে সিপিএমের মহিলা সদস্যের হার ছিল মাত্র ১১.৪ শতাংশ, যা ২০২১ সালের ১০.৮ শতাংশের তুলনায় সামান্যই বেড়েছে।

 

কেন্দ্রীয় রিপোর্টে বাংলায় মহিলা সদস্য সংগ্রহে এই খামতিকে বিশেষ উদ্বেগের বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।রবিবার ধর্মতলায় ডিওয়াইএফআইয়ের ইনকিলাব সমাবেশ-এ ছাত্র-যুবদের ঢল দেখে দল খুশি হলেও, দলীয় পর্যবেক্ষণে সমাবেশেও দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া অংশের তুলনায় মধ্যবিত্তের উপস্থিতিই বেশি ধরা পড়েছে। তাই বড় সমাবেশের পাশাপাশি শাখাস্তরে সংগঠনের সামাজিক চরিত্র বদলানোকেই এখন প্রধান লক্ষ্য হিসেবে স্থির করেছে আলিমুদ্দিন। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলে, সেই আন্দোলন থেকে নতুন কর্মী তৈরি করে তাঁদের সাংগঠনিক বৃত্তে আনার উপরই জোর দিতে চাইছে দল।

READ MORE.....