নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটচুরি ইস্যুকে তৃণমূল স্তরে নিয়ে যেতে যৌথ আন্দোলনের পথে হাঁটতে চাইছে ইন্ডিয়া জোট। কিন্তু সেই উদ্যোগের শুরুতেই জোটের অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের প্রশ্ন সামনে এসেছে। ৬ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন অভিযানে আম আদমি পার্টি (আপ) এবং ডিএমকে-র অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানা গিয়েছে।
৩০ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে বিরোধী জোট। এর মধ্যে ২ থেকে ৮ অক্টোবর সেভ ডেমোক্রেসি কর্মসূচি, জেলাস্তরে মিছিল এবং ৬ অক্টোবর সংসদ সদস্যদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযান রয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিও তুলেছে জোট। তবে আপ ও ডিএমকে ওই বৈঠকে অংশ নেয়নি। দুই দলেরই কংগ্রেসের সঙ্গে রাজ্যভিত্তিক রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে। ফলে কংগ্রেসের সঙ্গে একই মঞ্চে যৌথ কর্মসূচিতে আপাতত তারা যেতে নারাজ বলে সূত্রের খবর।আপের সঙ্গে পাঞ্জাবের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে। গোয়া ও গুজরাটেও দুই দল পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। অন্যদিকে, তামিলনাড়ুতে ডিএমকের সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কেও টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণে কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে ডিএমকের অসন্তোষ রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি।৩০ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে জোটের বাইরে থাকা দলগুলিকেও ভবিষ্যতের কর্মসূচিতে যুক্ত করার চেষ্টা করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সেই অনুযায়ী আপ-সহ কয়েকটি দলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হয় বলে সূত্রের খবর। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাতে সাড়া মেলেনি। ফলে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে বিরোধীদের অভিন্ন কর্মসূচির পরিধি সীমিত থাকছে।ইন্ডিয়া জোটের ছয় দফা কর্মসূচিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ, রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতিনিধিদল এবং আগামী ১ নভেম্বর দিল্লিতে বৃহত্তর সমাবেশের পরিকল্পনাও রয়েছে।














